কলকাতা 

সোমেন পুত্র রোহনই প্রদেশ যুব কংগ্রেসের সভাপতি হচ্ছেন ?

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের শাখা সংগঠন যুব কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি কে ? এই প্রশ্নের উত্তর সম্ভবত কেউ দিতে পারবে না । কারণ রাজ্য যুব কংগ্রেসের যিনি এখন পর্যন্ত সভাপতি সেই অরিন্দম ভট্টাচার্য কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন । স্বাভাবিকভাবে যুব সভাপতির পদটি খালি রয়েছে । কিন্ত যেহেতু দেশজুড়ে যুব কংগ্রেসের পদাধিকারীদের নির্বাচনঅনুষ্ঠিত হচ্ছে তাই নতুন সভাপতি নির্বাচিত হবেন । যুব কংগ্রেসের সদস্যদের দ্বারা । এই রাজ্যেও পদাধিকারী নির্বাচন চলছে । রাজ্যে ২৯ নভেম্বর জানা যাবে প্রদেশ যুব কংগ্রেসের দ্বায়িত্ব কে পেলেন?

নানা কারণে প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর  নির্বাচন হয়নি প্রদেশ যুব কংগ্রেসের সভাপতি পদে। তবে আজ ও কাল দু’দিন ধরে চলবে প্রদেশ যুব কংগ্রেস কমিটির নির্বাচন প্রক্রিয়া। গণনা হবে ২৯ নভেম্বর। গোটা রাজ্যের প্রদেশ যুব কংগ্রেসের সদস্যরা অংশ নেবেন এই নির্বাচনে। ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে সদস্য সংখ্যা তৈরির কাজ। সোমেনপুত্র রোহন মিত্র ছাড়াও প্রদেশ যুব কংগ্রেসের সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আরও ৪ জন। তাঁরা হলেন বাবুল শেখ, দেবলীনা ঘোষ দাস, প্রতিম কর্মকার, শাদাব খান। বাবুল শেখ হলেন মালদা জেলা ছাত্র পরিষদের সভাপতি। দেবলীনা ঘোষ দাস ও প্রতিম কর্মকার বর্তমানে রাজ্য যুব কংগ্রেসের সম্পাদক। শাদাব খান কলকাতা ৪৪ নম্বর যুব কংগ্রেস কমিটির সভাপতি। তবে তার মধ্যে ধারে এবং ভারে এগিয়ে রয়েছেন সোমেনপুত্র রোহন। তাঁর বক্তব্য, “এটা আমার কাছে এক প্রকার চ্যালেঞ্জ। নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক হওয়া একটা বড় ব্যাপার। সেই জায়গাটাতেই আমি দাঁড়িয়েছি। বাবা প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি হ‌ওয়ার আগে থেকেই শুরু হয়েছে প্রদেশ যুব কংগ্রেস কমিটির নির্বাচন প্রক্রিয়া। বাবা কোনওরকম সাহায্য করছেন না।”

একথা স্বীকার করতে হবে যে , মাথার উপর বাবা সোমেন মিত্র থাকার কারণেই রোহন মিত্র যুব কংগ্রেসের দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে ।একই দলের প্রদেশ সভাপতি এবং যুব সভাপতি একই ঘরের হয় কি না সেটা সময়ই বলবে। তবে এমনটা হলে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে প্রদেশ কংগ্রেসের ইতিহাসে।

 

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment