জেলা 

মুর্শিদাবাদ জেলা শাসকের কাছে ডেপুটেশন দিলো আন্-এডেড্ মাদ্রাসা বাঁচাও কমিটি

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিনিধি :  আন্-এডেড্ মাদ্রাসা বাঁচাও কমিটির পক্ষ থেকে জেলা সভাপতি – মোঃ সাহাবুদ্দীন সেখ ও জেলা সম্পাদক – মোঃ ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে মুর্শিদাবাদ  জেলায় আজ ডেপুটেশন দিলো ।

এই জেলায় সরকার স্বীকৃত ৪৮ টি আন্-এডেড্ মাদ্রাসা রয়েছে। যেখানে প্রায় ৫০০ এর ও অধিক শিক্ষক, শিক্ষিকা ও অশিক্ষক কর্মীবৃন্দ কর্মরত এবং এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলিতে বর্তমানে প্রায় ১৪,000 ছাত্র ছাত্রী পড়াশোনা করছে। দীর্ঘ ৫ বৎসর অতিক্রান্ত হয়ে গেলো অনুমোদন পাওয়া। কিন্তু তার পরেও কোন সাহায্য পাচ্ছে না ছাত্র – ছাত্রীরা, এমন কি শিক্ষক- শিক্ষিকাদের ও কোন মাস মাহিনা দেওয়া হচ্ছে না। দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চনার ফলে আজ জেলা শাসকের কাছে ডেপুটেশন দিতে বাধ্য হলো পশ্চিমবঙ্গ আন্-এডেড্ মাদ্রাসা বাঁচাও কমিটির মুর্শিদাবাদ জেলা কমিটি ।

আন্-এডেড্ মাদ্রাসা বাঁচাও কমিটির জেলা সভাপতি- মোঃ সাহাবুদ্দীন সেখ সাংবাদিকদের বলেন- এই জেলার ৪৮ টি আন্-এডেড্ মাদ্রাসা অনুমোদন দিয়েছেন রাজ্যের মা-মাটি-মানুষের জননেত্রী মমতা ব্যানার্জির সরকার । কিন্তু এই সরকারের নিজেস্ব প্রকল্প হওয়া সত্ত্বেও কেন অনুদান দিচ্ছেন না ? তিনি এও বলেন আমরা অতীতে দেখেছি বামফ্রন্ট সরকারের আমলে ৪৯৫ টি এম.এস.কে ও এস.এস.কে দেওয়া হয়েছিল, যাদের অনুমোদনের সঙ্গে সঙ্গে অল্প হলেও কিছু অনুদান দিয়েই আরম্ভ করেছিলো তৎকালীন রাজ্য সরকার । কিন্তু আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি রাজ্যে ২৩৪ টি আন্-এডেড্ মাদ্রাসার অনুমোদন দিলেও, এক পয়সা অনুদান দেননি।

কমিটির জেলা সম্পাদক – মোঃ ইকবাল হোসেন বলেন – মুর্শিদাবাদ জেলা শুধু সংখ্যালঘু জেলা হিসেবেই পরিচিত নয়, এই জেলা দেশের মধ্যে আর্থিক এবং বুনিয়াদী শিক্ষার দিক থেকে দেশের সমস্ত জেলার মধ্যে পিছিয়ে পড়া । আমরা মা-মাটি-মানুষের সরকারের আহ্বানে সাড়া দিয়ে জেলার সর্বত্র বুনিয়াদী শিক্ষার বিস্তার ঘটাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি কর্মযজ্ঞে সাড়া দিয়েছিলাম । কিন্তু আজ পর্যন্ত মাদ্রাসা গুলির কোন সমস্যাগুলির সুরাহা করা সম্ভব হলো না রাজ্য সরকারের পক্ষে। আমরা চাই আমাদের মুখ্যমন্ত্রী আমাদের মাদ্রাসা গুলির প্রতি নজর দিন এবং মুসলিম সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বুনিয়াদী মাদ্রাসা শিক্ষার প্রতি সহৃদয়তা দেখান। দীর্ঘ দিন এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলিতে সরকারি আর্থিক সহায়তা না হওয়ার কারণে মাদ্রাসা গুলি উঠে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে ।

ডেপুটেশন দেওয়ার পরে আন্-এডেড্ মাদ্রাসা বাঁচাও কমিটির সভাপতি জানান- জেলাশাসক ডেপুটেশন নিয়েছেনসম্মানের সঙ্গে এবং আমাদের দাবীগুলি যে যুক্তি সঙ্গত  সেটাও বলেছেন।

পশ্চিমবঙ্গ আন্-এডেড্ মাদ্রাসা বাঁচাও কমিটির রাজ্য সম্পাদক আব্দুল ওহাব মোল্লা সাহেব বলেন- আন্-এডেড্ মাদ্রাসা গুলির অনুদানের ব্যবস্থা না করা পর্যন্ত রাজ্যের প্রতিটি জেলায় এই আন্দোলন ও ডেপুটেশনের কর্মসূচি চলবে এবং রাজ্যের সমস্ত জেলা গুলির ডেপুটেশন কর্মসূচি শেষ হয়ে গেলেই নবান্ন অভিযানের ডাক দেওয়া হবে।
প্রায় সাতশত শিক্ষক একএিত হয় বহরমপুরের স্কোয়ার ফিল্ডের মাঠে। ওখান থেকে মিছিল লালদিঘির ধার ধরে জাতীয় সড়কের গীরজার মোড়ে এখন অবরোধ চলছে।। জাতীয় সড়ক এই মুহুত বন্ধ। সমস্ত যান চলাচল বন্ধ।।।
এই মুহুতে বহরমপুরের গীর্জার মোড়ে অথাৎ ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর অবরোধ শুরু হয়েছে।।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment