কলকাতা 

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিষেককে মঙ্গলবার তলব করল ইডি, কালীঘাটের কাকুর সঙ্গে কি মুখোমুখি জেরা?

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : মঙ্গলবার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করল ইডি। তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়েছে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে। আজ বৃহস্পতিবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজীরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রায় চার ঘন্টা ধরে জেরা করে ইডির আধিকারিকরা। এর মাত্র কয়েক ঘন্টা পরেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমন পাঠালো ইডি।

স্কুলে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার কুন্তল ঘোষের চিঠি সংক্রান্ত মামলায় অভিষেককে ইডি এবং সিবিআই জেরা করতে পারবে বলে অনুমতি দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। তবে ইডি সূত্রে খবর, কুন্তলের চিঠি ছাড়াও আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিয়ে অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে ইডি।

Advertisement

ইডি সূত্রে খবর নোটিসে ১৩ জুন সকাল সাড়ে ১১টার সময় অভিষেককে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হতে বলেছে ইডি। আর এই নোটিস অভিষেকের কাছে পৌঁছেছে বৃহস্পতিবারই।

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সম্প্রতি ‘কালীঘাটের কাকু’ ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকেও গ্রেফতার করেছে ইডি। যিনি এক সময় অভিষেকের একটি অফিসে কাজ করতেন। সুজয় এখন ইডি হেফাজতেই। আগামী ১৪ জুন তাঁর হেফাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। তার ঠিক আগের দিনই অভিষেককে সিজিওতে ডেকে পাঠানো হল ইডির তরফে।

প্রশ্ন উঠেছে কালীঘাটের কাকুর মেয়াদ শেষ হওয়ার একদিন আগে কেন অভিষেককে ডাকা হলো তাহলে কি কালীঘাটের কাকুর সঙ্গে অভিষেকের মুখোমুখি জেরার সম্ভাবনা রয়েছে। যদি এটা হয় তাহলে রাজ্য রাজনীতিতে একটা বড় ঘটনা হিসাবে চিহ্নিত হবে। কারণ কালীঘাটের কাকু বা সুজয় কৃষ্ণ ভদ্র এমন একজন ব্যক্তি যিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের খুব কাছাকাছি ব্যক্তি বলে পরিচিত। তিনি অভিষেকের কোম্পানির অন্যতম কর্মচারী বলে রাজ্য রাজনীতি মহলে পরিচিত। এই পরিস্থিতিতে এই মামলা কোন দিকে মোড় নেয় সেই দিকে তাকিয়ে রয়েছে রাজ্যের মানুষ। আদৌ কি নিয়োগ মামলায় অভিযুক্তরা শাস্তি পাবে নাকি নির্বাচনের সময় সাধারণ মানুষকে ধোকা দেওয়ার লক্ষ্যে এইসব করা হচ্ছে।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ