কলকাতা 

ছিটমহলের বাসিন্দাদের জমির অধিকার আইনের আওতায় নিয়ে এসে তাদের জমির মালিকানা দেওয়ার লক্ষ্যে বিধানসভায় পাশ হল বিল

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিনিধি : রাজ্য সরকার উত্তরবঙ্গের সাবেক ছিটমহলের বাসিন্দাদের জমির অধিকার আইনের আওতায় নিয়ে এসে তাদের জমির মালিকানা দিয়েছে। আজ রাজ্য বিধানসভায় এই সংক্রান্ত পশ্চিমবঙ্গ জমি অধিগ্রহন আইনের সংশোধনী বিল সর্বসম্মত ভাবে পাশ হয়েছে। বিলের উপরে জবাবী ভাষনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যনার্জি বলেন, ছিটমহলগুলিকে আইনিভাবে একটি দেশের মধ্যে আনতে ৬০ বছরের বেশি সময় লেগেছে। এই আইন পাশ হওয়ার ফলে এখানকার ১৭ হাজার ১৬০ একর জমিতে বসবাসকারী ৩৮ হাজার ২৫৬ নাগরিক জমির মালিকানা ছাড়াও রেশন কার্ড, ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, বিদ্যুৎ সংযোগ সহ সব ধরনের সরকারি সামাজিক প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।
ছিটমহলগুলির উন্নয়নে কেন্দ্র সরকার এখনও পর্যন্ত রাজ্যকে ৫৭৯ কোটি টাকা দিলেও ৪২৬ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে বলে মুখ্যমন্ত্রী জানান। কেন্দ্রের দেওয়া অর্থে চারশো কোটি টাকা ব্যয়ে এখানে জয়ী সেতু গড়ে তোলা হয়েছে বলে তিনি জানান। এই আইন পাশ হয়ে যাওয়ার পরে ছিটমহলগুলিকে দ্রুত পঞ্চায়েত দপ্তরের আওতায় এনে সেখানকার উন্নয়নের জন্যে মুখ্যমন্ত্রী এদিন পঞ্চায়েত মন্ত্রীকে নির্দেশ দেন। বাংলাদেশ থেকে যে ৯২২ জন এই রাজ্যে এসেছেন তাদের কাছে বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ডিগ্রি থাকায় সেগুলিকে আইনিভাবে কি করে ভারতে গ্রহনযোগ্য করে তোলা হবে তা নিয়েও রাজ্য সরকার বিদেশ মন্ত্রকের সঙ্গে কথা বলছে বলে মুখ্যমন্ত্রী জানান।
এদিন বিলের উপরে আলোচনার শুরুতে বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান বিলটিকে সমর্থন করে বলেন, ছিটমহলগুলির উন্নয়নে এই আইন খুব কার্যকরী হবে। ছিটমহলগুলির বর্তমান অবস্থা দেখার জন্যে তিনি সেখানে বিধানসভার একটি সর্বদলীয় দল পাঠানোর প্রস্তাব দেন। অন্যান্যদের মধ্যে বিলের উপরে আরএসপির বিশ্বনাথ চৌধুরী, ফরওয়ার্ড ব্লকের নগেন্দ্রনাথ রায়, বাম পরিষদীয় নেতা সুজন চক্রবর্তী, কংগ্রেসের সুখবিলাস বর্মা অংশ নেন। বিজেপি বিলের উপরে আলোচনায় অংশ না নিলেও দলের সদস্যরা এদিন অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment