দেশ বিনোদন, সংস্কৃতি ও সাহিত্য 

“আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রভাব রয়েছে যাঁর, তিনি হলেন আমার মা, তার পর বাবা এবং তৃতীয় জন রাহুল গান্ধী।” মন্তব্য জনপ্রিয় কন্নড় অভিনেত্রী দিব্যা স্পন্দনা

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : রাহুল গান্ধীর শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নয় তিনি একজন সমাজ সংস্কারক বলা যেতে পারে। মানুষ যখন ওর বিপদের মধ্যে পড়ে তখন রাহুল গান্ধী তাদের ত্রাতা হতে পারেন। এক সাক্ষাতকারী এমনই দাবি করলেন কন্নড় অভিনেত্রী দিব্যা স্পন্দনা।

বর্তমানে কংগ্রেসের প্রাক্তন লোকসভার সদস্য এবং কংগ্রেসের মুখপাত্র স্পন্দনা বলেন, “বাবার মৃত্যুর দু’সপ্তাহ পর সংসদে গিয়েছিলাম। তখনও শোকের মুহূর্ত কাটিয়ে উঠতে পারিনি। সংসদে কী হচ্ছিল কিছুই বুঝতে পারছিলাম না।”

Advertisement

কংগ্রেসের প্রাক্তন সাংসদ জানান, বাবার মৃত্যুর শোক এমন ভাবে ঘিরে ধরেছিল যে তিনি কাজে মন বসাতে পারছিলেন না। তার মধ্যে নির্বাচনেও হেরে গিয়েছিলেন। একে বাবার মৃত্যু তাঁর কাছে একটা বড় ধাক্কা ছিল, তার উপর নির্বাচনে হেরে যাওয়া সেই ধাক্কাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। তখন তাঁর মনে হচ্ছিল, আত্মহত্যাই একমাত্র পথ। সেই পথই যখন বেছে নেওয়ার পথে হাঁটছিলেন, ঠিক সেই সময়েই তাঁর পাশে এসে দাঁড়ান রাহুল। তাঁকে মানসিক ভাবে যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন। আত্মহত্যার চিন্তাভাবনার পথ থেকে সরিয়ে নিয়ে এসেছিলেন। স্পন্দনার কথায়, “আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রভাব রয়েছে যাঁর, তিনি হলেন আমার মা, তার পর বাবা এবং তৃতীয় জন রাহুল গান্ধী।” কন্নড় অভিনেত্রীর দাবি, রাহুল যদি সে দিন তাঁর পাশে এসে না দাঁড়াতেন, তা হলে অনেক কিছু ঘটে যেতে পারত।

২০১২ সালে যুব কংগ্রেসে যোগ দেন স্পন্দনা। কর্নাটকের মান্ড্য থেকে ২০১৩ সালের উপনির্বাচনে জিতে সাংসদ হন। কংগ্রেসের সমাজমাধ্যম সেলের প্রধান ছিলেন স্পন্দনা। পরে ওই পদ থেকে ইস্তফা দেন। গত বছর আবার অভিনয়ে ফেবার কথাও ঘোষণা করেছিলেন এই কন্নড় অভিনেত্রী।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ