জেলা 

প্রধানের স্বামীকে মারধর অঞ্চল সভাপতির, প্রতিবাদে গণ ইস্তফার হুমকি পঞ্চায়েত প্রধান সহ অন্যান্য সদস্যদের, ফারাক্কা জুড়ে চাঞ্চল্য

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : আর্থিক কেলেঙ্কারিতে  জেরবার তৃণমূল কংগ্রেস । এরই পরিপ্রেক্ষিতে ফারাক্কার নয়ন সুখ গ্রাম পঞ্চায়েতের সাধারণ সভায় চলাকালীন সময়ে প্রধানের স্বামীকে মারধর করেছেন তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি বলে অভিযোগ উঠে। আর এই বিষয়টি সামনে আসার পরে গণ ইস্তফার হুমকি দিয়েছেন প্রধানসহ পঞ্চায়েতের অন্যান্য সদস্য। ঘটনাটি ইতিমধ্যেই ফারাক্কার বিডিও কে জানানো হয়েছে এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

ইমরান আলি-সহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে গণ পদত্যাগের হুমকিও দিয়েছেন প্রধান-সহ গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৩ সদস্য। এ প্রসঙ্গে ফরাক্কা ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অরুণ দাসের সাফাই, “বাচ্চা ছেলে। ভুল বোঝাবুঝির জন্য এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে।”

Advertisement

ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার সকালে নয়নসুখ গ্রাম পঞ্চায়েতে। নয়নসুখ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সুলেখা মণ্ডল অভিযোগ করেন, “এদিন সকালে গ্রাম পঞ্চায়েতের সাধারণ সভা চলছিল। সেই সভায় আমার প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমার স্বামী হৃদয় মণ্ডল। সভা চলাকালীন নয়নসুখ অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি ইমরান আলি সাধারণ সভায় আসেন।”

তিনি আরও বলেন, “আমার স্বামী নিয়ম মেনে ইমরানকে বলেন, আপনি পঞ্চায়েতের এসি রুমে গিয়ে বসুন, সভা শেষ হলে আপনাকে ডেকে নেওয়া হচ্ছে। এই কথা শুনে অঞ্চল সভাপতি সভাস্থল থেকে চলে যান। মিনিট দশেক পর ইমরান কয়েকজন অনুগামী নিয়ে সভাস্থলে এসে চিৎকার শুরু করেন।” অভিযোগ, পঞ্চায়েত সদস্য ও কর্মীদের সামনে প্রধানের স্বামী হৃদয় মণ্ডলকে জামার কলার ধরে টানাটানি ও মারধর করা হয়।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। তাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। ফরাক্কার বিডিও ও থানায় লিখিতভাবে অভিযোগ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ফরাক্কা ব্লক তৃণমূল সভাপতি অরুণময় দাস ও বিধায়ক মণিরুল ইসলামকে জানান হয়েছে। এদিকে অবিলম্বে অঞ্চল সভাপতিকে সরানোর দাবি জানিয়েছেন পঞ্চায়েত সদস্যরা। না হলে পঞ্চায়েত সদস্যরা গণ ইস্তফা দেবে হলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

 


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ