জেলা 

“রথযাত্রা হবেই। অনুমতি না পেলেও রাস্তা দিয়ে রথ নিয়ে হাঁটব। বাকিটা সরকারের দায়িত্ব। রথযাত্রা কেউ আটকাতে পারবে না।” : মুকুল রায়

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বিশেষ প্রতিনিধি : বিজেপির রথযাত্রা নিয়ে বাজার গরম হতে চলেছে । প্রশাসনের কাছে আবেদন করা সত্ত্বে এখনও পর্যন্ত রথযাত্রার অনুমতি প্রশাসন দেয়নি। সময় অনুসারেডিসেম্বর মাসের ৫, ৭ ও ৯ তারিখ রাজ্যে রথযাত্রার কর্মসূচি নিয়েছে বিজেপি। ৫ ডিসেম্বর বীরভূমের তারাপীঠে। ৭ ডিসেম্বর কোচবিহার। ৯ ডিসেম্বর গঙ্গাসাগর থেকে রথযাত্রা কর্মসূচির সূচনা হবে। সূচনা করবেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। কলকাতায় এসে এই তিনটি রথযাত্রা শেষ হবে। এখানেই নরেন্দ্র মোদির জনসভা করার কথা।

ইতিমধ্যেই রথযাত্রার অনুমতি চেয়ে রাজ্য কমিটির পক্ষ থেকে মোট তিনটি চিঠি স্বরাষ্ট্রসচিবকে পাঠানো হয়েছে। তবে উত্তর পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ। যে জেলাগুলি দিয়ে রথযাত্রা যাবে সেই জেলার পুলিশ সুপারের থেকেও অনুমতি নেওয়ার জন্য বিজেপির পক্ষ থেকে জেলা-শাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে দেখা করে আবেদন করা হয়েছে বলে অভিযোগ । কিন্তু, যেখানে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব নিজেই দেখা করছেন না, সেখানে জেলার পুলিশ সুপার কীভাবে রথযাত্রার অনুমতি দেবে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি।

মঙ্গলবার শিলিগুড়িতে আসেন বিজেপি-র কেন্দ্রীয় নেতা শিব প্রকাশ ও মুকুল রায়। রথযাত্রার অনুমতি পাওয়া নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুকুল রায় স্পষ্ট জানান , “রথযাত্রা হবেই। অনুমতি না পেলেও রাস্তা দিয়ে রথ নিয়ে হাঁটব। বাকিটা সরকারের দায়িত্ব। রথযাত্রা কেউ আটকাতে পারবে না।”

ইতিমধ্যেই সেই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শাসকদলের নেতাদের সঙ্গে বিজেপি নেতাদের কড়া বাক্য বিনিময় চলছে। তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রথের চাকা আটকে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বিজেপির  রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “কারও নির্দেশের তোয়াক্কা করি না। রথ বেরোবে, রথ চলবে। পারলে ওনারা আটকান। নির্দেশ দেওয়ার কী আছে। দম থাকলে কারোর আদেশ লাগে না।”

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment