জেলা 

ইতিহাসের বানগড় আজও মাটির তলায়

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বিশেষ প্রতিবেদনঃ শুধুমাত্র রক্ষণাবেক্ষণ ও খননকার্য মাঝপথে থমকে যাওয়ায় ভারতের অজানা ইতিহাস এখনও মাটির তলায়৷ অথচ ঐতিহাসিকরা বলছেন, দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর থানার বাণগড় প্রাচীন ভারতের ইতিহাসটাই বদলে দিতে পারে৷ শুরু হয়েছিল, কিন্তু সম্পূর্ণ খনন কাজ না হওয়ার প্রাচীন ভারতের ইতিহাস এখনও পাতালপুরীতে বন্দি হয়ে আছে৷ ভারতের পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ একটা সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিয়েই দায় সেরেছেন৷ সর্বেক্ষণের এই উদাসীনতায় জেলাবাসী থেকে শুরু করে দেশবাসীর কাছে অনেকই ইতিহাসই অজানা রয়ে গিয়েছে বলে মনে করছেন বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের শিক্ষক-অধ্যাপকরা৷


খুব বেশি আগের কথা নয়, ঘটনাটি ২০০০ সালের হবে। বালুরঘাট কলেজের সংস্কৃতির অধ্যাপক শখের ইতিহাসবিদ অচিন্ত্যকৃষ্ণ গোস্বামী খবর পান, গঙ্গারামপুর থানার বাণগড় সংলগ্ন পূর্ণভবা নদীতে বালি খুঁড়ে জল তুলতে গিয়ে কয়েকটি শিশু একটি গোলাকার বস্তু পেয়েছে৷ উৎসুক অচিন্ত্যকৃষ্ণবাবু গাড়ি ভাড়া করে বালুরঘাট থেকে ঘটনাস্থলে পৌঁছন৷ তিনি দেখেন কালো রঙের অনেকটা কামানের গোলার মতো একটা ডিম্বাকৃতি বস্তু৷ তিনি মাত্র কয়েকশো টাকার বিনিময়ে সেটি কিনে নেন৷ আরও খোঁজাখুজি করে এই ধরণের বেশ কয়েকটি ডিম্বাকৃতির বস্তু তিনি সেদিন নিয়ে গিয়ে বালুরঘাটের তাঁর নিজস্ব মিউজিয়ামে রেখে দেন৷ কোনও ভাবে একটি বস্তু ভেঙে গিয়েছিল৷ তার থেকে অচিন্ত্যবাবুর ধারণা হয়, এই ডিম্বাকৃতি বস্তু আসলে একটা কামানের গোলা৷ পরবর্তীকালে এই প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে, অচিন্ত্যকৃষ্ণবাবু একটি তাজ্জব করা তথ্য তুলে ধরেন৷
তিনি বলেছিলেন, ভারতের ইতিহাসে পাতা অনুযায়ী প্রথম বারুদের ব্যবহার করেছিল বাবর৷ ১৫২৬ সালে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে৷ কিন্তু, পূর্ণভবা নদীর চরে পাওয়া কামানের গোলা ভারতের ইতিহাসকেই বদলে দিতে পারে৷ কারণ, পানিপথের প্রথম যুদ্ধের কয়েকশো বছর আগের সভ্যতা গড়ে উঠেছিল বানগড়ের৷ সম্ভবত, পাল-সেন যুগে বানগড় ছিল৷ এই কামানের গোলায় ছিল বারুদের ব্যবহার৷


স্বাভাবিকভাবেই বাবর নয়, প্রাচীন ভারতেই বারুদের ব্যবহার হয়েছিল৷ অচিন্ত্যকৃষ্ণবাবু সেই গোলা দেখিয়েছিলন এই প্রতিবেদককে৷ সেদিন তিনি বলেছিলেন, বানগড়ের মাটি চাপা পড়ে আছে ভারতের অনেক অজানা ইতিহাস৷ তার উদ্ধার করা গোলার একটা নমুনা ভারতীয় সেনাবাহিনীও নিয়ে গিয়ে তাদের সংগ্রহশালায় রেখেছে৷ অনেক চেষ্টা করে অচিন্ত্যকৃষ্ণবাবু বানগড়ে সম্পূর্ণ খননকার্য শুরু করাতে পারেননি৷ সেই আক্ষেপ নিয়ে তিনি এই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছেন৷ তারপর ওনার মতো আর কেউ বানগড় নিয়ে কোনও ভাবনা ভাবেনি৷ এখনও তাই ভারতের প্রাচীন ইতিহাস মাটি চাপা পড়ে রয়েছে বানগড়ে৷
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সদর বালুরঘাট থেক ৪৭ কিলোমিটার দুরে গঙ্গারামপুর থানার বানগড়৷ ১৯৩৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কে জি গোস্বামীর নেতৃত্বে এখানে খনন কাজ শুরু হয়৷ এই খননের ফলে পালযুগের একটি মন্দিরের-সমাহার আবিষ্কৃত হয়৷ তার পরেই নজরে আসে বানগড়৷ এরপর আর কোন খনন হয়নি৷ বিভিন্ন মহল থেকে দাবি ওঠায় ২০০৮-০৯ সালে ফের খনন শুরু হয়৷ যা বেশিদুর এগোয়নি৷ ১৪০ একর জায়গা জুড়ে বিশাল মাটির ঢিপি এবং চারপাশের ১০০০ একর এলাকাকে চিহিুত করে সেই অনুসন্ধান চালাচ্ছেন আর্কিওলজিক্যাল সার্ভের কলকাতা মণ্ডলের অফিসার টি জে বৈদ্য৷
বানগড়ের ঢিঁবির দিকে যাওয়ার পথেই ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষা একটি সাইনবোর্ড দিয়ে গোটা এলাকাটিকে তাদের অধীনে নিয়েছে৷ প্রাচীন ভারতের ইতিহাস জানার প্রচেষ্টা বলতে এটুকু৷ যদিও, ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ জানাচ্ছে, তাদের খনন কাজের ফলে জানা গিয়েছে বানগড়ে মাটিতে চাপা পড়ে রয়েছে পাল-সেন যুগের বহু ইতিহাস৷ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধানে খননে জানা গিয়েছে, বানগড়ের ধ্বংসাবশেষ, প্রাচীন ‘কোটিবর্ষ’ এবং ‘দেবীকোট’ নামে পরিচিত আয়তকার প্রতিরক্ষা প্রাকার বেষ্টিত একটি সুরক্ষিত এলাকা৷
উত্তর-পূর্বের বিস্তৃত প্রাচীন বসতিও এই সংরক্ষিত এলাকার অন্তর্ভুক্ত৷ এই স্থানে মৌর্য্য যুগ থেকে মুসলমান কাল পর্যন্ত পাঁচটি অধিবসতির স্তর ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ সনাক্ত করেছে৷ খননের ফলে যে পাওয়া গিয়েছে, তার মধ্যে পালযুগের স্তম্ভবিশিষ্ট চন্দ্রাতপ দ্বারা আচ্ছাদিত একটি অপরিসর পদ্মকৃতি কুণ্ড৷ ধ্বংসস্তূপের গৃহসারির মধ্যে একটি শস্যাগারের সন্ধান মিলেছে পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের খননে৷ এর বেশি কিছু আর খুঁজে দেখায় হয়নি৷ কারণ, খনন কাজের এক শতাংশও সম্পূর্ণ হয়নি৷ ফলে, বহু অজানা ইতিহাস মাটি চাপা রয়েছে বানগড়ে৷
বানগড়ে মৌর্য-শুঙ্গ-কুষাণ ও গুপ্তযুগ, গুপ্তযুগের পরবর্তী পর্যায়ে এবং পালযুগের সামগ্রীর অসংখ্য নিদর্শন রয়েছে৷ শুঙ্গ ও কুষাণযুগ হল খিস্টপূর্ব্দ ১৩০ থেকে প্রথম ও দ্বিতীয় খ্রিস্টাব্দের প্রথমার্ধ৷ তারও আগে ছিল মৌর্যযুগ – খিস্টপূর্ব ৩২১ থেকে খিস্টপূর্ব ১৮৫ সাল৷ অর্থাৎ ২৫০০ বছরের প্রাচীন ইতিহাসের চাপা বানগড়ে৷ এটাই প্রাচীন দেবকোট৷ এই সম্পদের আবিষ্কার আবার পুরাতত্ব সর্বেক্ষণের বাংলারই কর্মীরা! দেবকোটই হচ্ছে বানগড়ে৷ যান নাম এখনও অনেকের কাছেই অজানা৷ নানান প্রাচীন গ্রন্থে বানগড়কে কোটিবর্ষ দেবীকোটা এবং দ্বিকোটা নামেও উল্লেখ করা হয়েছে৷
অধুনা বাংলাদেশের রাজা পুন্ড্রবর্ধনের রাজধানী মহাস্থানগড়ের অধীনেই ছিল দেবীকোটা৷ পরবর্তীকালে চন্দ্রবংশ, বর্মণরাজ এবং সেনরাজাদের সময়েও তার প্রতিপত্তি ছিল৷ তৃতীয় শতকের ‘বায়ুপুরাণ’ ও ‘বৃহসংহিতা’তে এর নাম আছে৷ দশম শতকের ‘অভিধানচরিতানাম’ ও পুরুষোত্তম-রচিত ‘ত্রিকন্দ্রশেষা’তে উমা, ঊষা, বানপুর, শোনিতপুর নামে৷ সন্ধ্যাকর নন্দীর লেখাতেও এখানকার দিঘি ও নাগরিক সৌন্দর্যের বর্ণনা আছে৷ ১২০৪ সালে বত্তিুয়ার খিলজি বাংলায় রাজত্ব শুরুর সময়েও পুনর্ভবা-তীরে রাঢ় বাংলার দেবকোটে কিছুদিন রাজধানী রেখেছিলেন৷
১৯৩৭ সালে এখানে খননের ফলে পালযুগের একটি মন্দিরের-সমাহার আবিষ্কৃত হয়৷ তখনই নজরে পড়ে বানগড়৷ পর পর দু’বারে অনুসন্ধানে যে সব সম্পদের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে তা থেকে মনে করা হচ্ছে যে, বাংলার ইতিহাসের নতুন দিকের উন্মোচনও ঘটে যেতে পারে বানগড়?
বানগড়ের দেবকোট থেকে পাওয়া গেছে লাল ও কালোমাটির অনেকগুলি পাত্র, তামার সামগ্রী, ওটেল অ্যান্ড ডাম্ব পদ্ধতিতে (ছোট ছোট বাঁশের আড়াআড়ি খাঁচায় মাটি জমিয়ে) তৈরি বাড়িঘর ও অগ্নিকুণ্ড৷ ওটেল অ্যান্ড ডাম্ব পদ্ধতিতে এখনও বাড়ি তৈরি করেন আদিবাসীরা, যা প্রাচীনতম পদ্ধতি বলে মনে করা হয়৷ অযোধ্যাতেও মাটির নিচে এই ধরণের বাড়িঘরের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে৷ বানগড়ে পাওয়া গিয়েছে প্রাচীন মুদ্রা, বৃষ, বরাহ দেবতা, দুর্-সহ পাথরের বহু দেবদেবীর মূর্তি৷ এছাড়া তামা ও নানা ধাতুর তৈরি বহু বাসনপত্র ও গহনা উদ্ধার হওয়ায় প্রমাণ হয়েছে৷ যা সেই সময় এইসব সামগ্রীর় ব্যবহার চালু ছিল৷ এর অনেকগুলিই পালযুগে (সপ্তম থেকে নবম শতক) তৈরি বলে গবেষকদের মত৷ অতি সম্প্রতি উদ্ধার হয়েছে ধনুর্ধরের মূর্তিখোচিত একটি পট্ট, ব্যাসাল্ট পাথরের বুদ্ধের মস্তক ও বৌদ্ধমঠে ব্যবহৃত জলদানের ঝারি৷ একটি ছোট নৌকা উদ্ধারে প্রমাণিত হয় যে এই নগর নৌ-বাণিজ্যে পটু ছিল৷
উত্তরবঙ্গের ইতিহাসবিদদের মতে, উত্তরবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাচী স্থান এটি৷ স্থানীয় এলাকার প্রাচীন সাহিত্যগুলিতে এর উল্লেখ আছে৷ গুপ্তযুগে প্রাচীন নগর ও দুর্গের চিহুবিশিষ্ট এ-জায়গার নাম ছিল – বিষয়৷
গভীর পরিখা দিয়ে ঘেরা ভিতরে দুর্গের পাঁচিলে সুরক্ষিত ছিল এই নগর৷ দুর্গের দেওয়াল ছিল নগরের উচ্চতার চেয়েও আট ফুট উঁচু৷ উত্তর-পশ্চিমে নগরে প্রবেশের পথে ছিল আটটি পাহারা শিবির৷ পরিখার সঙ্গে যুক্ত ছিল একটি বিশাল দিঘি আর দিঘিটির সঙ্গে ছিল পুনর্ভবা নদীর সংযোগ৷ অর্থাৎ, পরিখার জল কমে গেলে দিঘির থেকে জল সরবরাহ হত, আর দিঘির জল না কমে তার জন্য সঙ্গে খাল দিয়ে যোগ ছিল নদীর৷ ছিল উন্নত পয়ঃপ্রণালী ব্যবস্থাও, যা আধুনিক নগরের প্রমাণ৷ গড়ের উত্তর ও পূর্ব দিকেই ছিল মূল জনবসতি৷ পুরাতাত্ত্বিকদের মতে, ১২০০ একর এলাকা জুড়ে ছিল বানগড়, যার ১৪১ একরে ছিল দুর্গ৷ খননে তারই খানিকটা আজ দেখা যায়৷
খনন কার্যের অভাবে আজও মাটির নিচে চাপা পড়ে রয়েছে ২৫০০ বছরের পুরানো বানগড়ের ইতিহাস। সেইসঙ্গে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নষ্ট হতে বসেছে এই প্রাচীন ঐতিহাসিক নিদর্শন সমৃদ্ধ স্থান। ১৯৩৮ সালে প্রথম বানগড়ে খনন কার্য চালানো হয়। সেসময় প্রাচীন ইতিহাসের অনেক অজানা তথ্য উঠে আসে। তারপর আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার (এএসআই) উদ্যোগে বেশ কয়েকবার খনন কার্য হয়েছে। তাতে পাল, সেন ও মৌর্য যুগের বহু নির্দশন পাওয়া যায়। কিন্তু আজও খনন কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। ফলে নিতান্ত অবহেলায় পড়ে রয়েছে এই বানগড়। এনিয়ে জেলার বাসিন্দা ও ইতিহাসবিদদের মধ্যে ক্ষোভ জমেছে।
এবিষয়ে বুনিয়াদপুরের বাসিন্দা ইতিহাস ও বানগড় নিয়ে গবেষনা করা শিক্ষক অমর পাল বলেন, বানগড়ের রক্ষণাবেক্ষণ খুবই দরকার। সমগ্র উত্তরবঙ্গে এরকম প্রাচীন ঐতিহাসিক নির্দশন আর নেই। বেশ কয়েকবার খনন কাজে বহু প্রাচীন নিদর্শন মিলেছে। কিন্তু বর্তমানে খনন কার্য বন্ধ হয়ে আছে। যার ফলে বানগড়ের বহু ইতিহাস আজও মাটির তলায় চাপা পড়ে আছে। খনন কাজ শেষ করা হলে হয়ত আরও অনেক কিছু পাওয়া যেত। প্রশাসনের কাছে আবেদন করব ফের খনন কার্য শুরু করা হোক।
গঙ্গারামপুর ব্লকের শিববাড়িতে ঐতিহাসিক নিদর্শন সমৃদ্ধ এই বানগড় অবস্থিত। বর্তমানে এটি ঢিবির আকারে রয়েছে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্‍কালীন অধ্যাপক কুঞ্জগোবিন্দ গোস্বামীর নেতৃত্বে ১৯৩৮-১৯৪১ পর্যন্ত এখানে প্রথম খনন কাজ হয়। ১৪১ একর জায়গা জুড়ে বিশাল মাটির ঢিপি এবং চারপাশের ১০০০ একর জায়গা জুড়ে এএসআই অনুসন্ধান চালায়। তাতে মৌর্য, গুপ্ত ও সেন যুগের বহু প্রাচীন নির্দশন পাওয়া যায়। সেগুলির বেশিরভাগই বালুরঘাট মিউজিয়ামে রাখা আছে। কথিত আছে এই গড় থেকে রাজ্য শাসন করতেন বালি রাজা। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে বান রাজা হয়েছিলেন। তাঁর নাম অনুসারেই এর নাম হয়েছে বানগড়। এখানে গুপ্ত যুগের বৃহত্ দেওয়াল, তামার মুদ্রা, পাল যুগের মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ, মৌর্য যুগের পাতকুয়া, পোড়ামাটির থালা, বিভিন্ন ধরনের মৃত্‍পাত্র, পাথরের মালা, তামার মুদ্রা ইত্যাদি পাওয়া গিয়েছে। তাছাড়া পোড়ামাটির স্ত্রী মূর্তি, ব্রাহ্মীলিপি যুক্ত পোড়ামাটির শিলিং, নগর রক্ষায় নির্মিত পোড়ামাটির ক্ষেপনীও পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু বেশ কয়েকবছর ধরে খনন কার্য বন্ধ থাকায় জায়গা দখল হয়ে যাচ্ছে। ফলে আরও নিদর্শন পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও সেই সম্ভাবনা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বানগড়ের মতো অমূল্য ঐতিহাসিক নিদর্শনকে টিকিয়ে রাখতে হলে প্রথমেই রক্ষণাবেক্ষণের জন্য অন্তত সীমানা প্রাচীর দেওয়া উচিত। না হলে এই নিদর্শন একদিন হারিয়ে যাবে।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment