কলকাতা 

ডিএ মামলায় স্যাটের কাছেও সময় চাইল রাজ্য, রাজ্যের অনুরোধ খারিজ করেই ১৪ নভেম্বর থেকে হলফনামা গ্রহন না করে শুনানী করবে স্যাট , দ্রূত ডিএ মামলার নিস্পত্তি ঘটবে আশায় কর্মীরা

শেয়ার করুন
  • 3
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বিশেষ প্রতিনিধি :  হাইকোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা মেনেই ডিএ মামলার নিষ্পত্তির করতে চায় স্যাট । স্যাটের কোনো এক্তিয়ার নেই এই মামলার হলফনামা দেওয়ার জন্য সময় বাড়ানোর । বৃহস্পতিবার রাজ্য সরকারি কর্মচারিদের ডিএ মামলার শুনানীতে এ কথা বলে স্যাট । কারণ স্যাট নির্ধারিত সময়ে রাজ্য সরকার হলফনামা জমা দিতে পারেনি । আজ রাজ্য সরকারের আইনজীবী অপূর্ব লাল বসু মামলার শুনানির প্রথমেই স্যাটের কাছে তিন সপ্তাহ সময় চান । তিনি বলেন , ডিএ মামলার বিভিন্ন বিষয়ের ফাইল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাই সেই ফাইলগুলিকে যোগাড় করে হলফনামা দিতে তিন সপ্তাহ লেগে যাবে । সুতরাং আমাদের হলফনামা জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানো হোক ।

এরপরেই সরকারি কর্মচারিদের আইনজীবী সরদার আমজাদ আলী বলেন, ডিএ মামলার মূল রায় হাইকোর্ট দিয়েছে । স্যাটের কাছে হাইকোর্ট নির্দিষ্ট সময়সীমা মেনে এই মামলার ফয়সালা করতে বলেছে ।সময়সীমা বেধে দিয়েছে । সুতরাং স্যাট এই সময় আর বাড়াতে পারে না। সময় বাড়াতে হলে রাজ্য সরকার হাইকোর্টে যেতে হবে । মূল রায় দেওয়া হয়েছে , এখন স্যাটকে হাইকোর্ট বলেছে , কেন্দ্র সরকারের হারে ডিএ দেওয়া যায় কিনা এবং রাজ্য সরকারের যেসব কর্মী দিল্লি, চেন্নাইয়ে কর্মরত আছে তাদেরকে কেন্দ্রীয় হারে কেন ডিএ দেওয়া হয় ? কেন রাজ্য সরকারি কর্মচারি হওয়া সত্ত্বে অন্যরা পায় না এটাকে বিচার করতে দেখতে বলেছে । আর রাজ্য সরকারের হলফনামা দেওয়ার সময়সীমা পেরিয়ে গেছে অতএব সে আর হলফনামা জমা দিতে পারবে না ।

সরকারি কর্মচারি সংগঠনের আইনজীবীর বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি আর কে বাগ এবং সুবেশ দাসের বেঞ্চ সরকারি কর্মচারি সংগঠনের আইনজীবী সরদার আমজাদ আলীর সঙ্গে সহমত পোষণ করেন। ফলে নতুন করে আর হলফনামা জমা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না রাজ্য। স্যাট জানিয়েছে, ১৪ নভেম্বর পূর্ণাঙ্গ শুনানি হবে মামলাটির। এই রায় শোনার পরই রাজ্য সরকারের আইনজীবী স্যাটকে বলেন,সেই সময়ের মধ্যে আমরা হলফনামা জমা দিয়ে দেব । স্যাটের দুই বিচারক এই আবেদন খারিজ করে দিয়ে বলেন, সময়সীমা বাড়ানোর ক্ষমতা আমাদের হাতে নেই যা করার আপনারা হাইকোর্টে করতে পারেন । ১৪ নভেম্বরের শুনানী হবে রাজ্য সরকারের হলফনামা না নিয়েই।

এদিকে একান্ত সাক্ষাৎকারে সরকারি কর্মচারি সংগঠনের আইনজীবী সরদার আমজাদ আলী বলেন , রাজ্য সরকারের আইনজীবী এক বিস্ময়কর যুক্তি স্যাটের কাছে পেশ করেছেন । ফাইল নাকি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না । কলকাতা হাইকোর্টে তারা হলফনামা দিয়েছে , বিভিন্ন সময় সরকারের পক্ষ থেকে নোটিফিকেশন করে ডিএ ঘোষণা করা হয়েছে তারপরও যদি বলা হয় ফাইল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না তাহলে বলতে হবে রাজ্য সরকার এই মামলা শেষ করতে চাইছে না । ইচ্ছে করে বিলম্ব করা হচ্ছে । এমনিতেই অনেক সময় অতিবাহিত হয়েছে, আর বিলম্ব করা যাবে না । রাজ্য সরকারেরও উচিত মামলার দ্রূত নিস্পত্তি করা।

 


শেয়ার করুন
  • 3
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment