আন্তর্জাতিক 

রাষ্ট্রপুঞ্জ-এর শাখা সংগঠন ইউনাইটেড নেশনস এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রাম বা ইউএনইপি – সর্বোচ্চ সম্মান ‘চ্যাম্পিয়ন্স অফ দ্য আর্থ’-এর সম্মান পেলেন নরেন্দ্র মোদী ও ফরাসী প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাকরঁ

শেয়ার করুন
  • 5
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বিশেষ প্রতিনিধি : প্রধানমন্ত্রী পদে আসিন হওয়ার পরই শক্তি ক্ষেত্রে যে পরিবেশ বান্ধব বিকল্প পথে যেতে হবে তার জন্য সওয়াল করেছিলেন নরেন্দ্র মোদী। যে সব স্থানে প্রচলিত শক্তি-র মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব নয় সেখানেও বিকল্প পথেই শক্তি-তেই সমস্যার সুরাহায় বিভিন্ন প্রকল্পের সূচনা করিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর এই পরিবেশবান্ধব বিকল্প শক্তি-র খোঁজ এবার এনে দিল এক নয়া স্বীকৃতি। ‘চ্যাম্পিয়ন্স অফ দ্য আর্থ’-এর সম্মান পেলেন নরেন্দ্র মোদী। খোদ রাষ্ট্রপুঞ্জ প্রধানমন্ত্রী মোদীকে এই স্বীকৃতি দিচ্ছে। মোদীর সঙ্গে এই ‘চ্যাম্পিয়ন্স অফ দ্য আর্থ’ সম্মানে সম্মানিত হচ্ছেন ফরাসী প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাকরঁ। রাষ্ট্রপুঞ্জের এটা সর্বোচ্চ পরিবেশ সম্মান।

ইন্টারন্য়াশনাল সোলার এলায়েন্স বা আইএসএ-কে সকলের কাছে পৌছে দিতে  যেভাবে মাকরঁ ও মোদী কাজ করেছেন, তা  বিরল বলে মনে করছে করছে রাষ্ট্রপুঞ্জ-এর শাখা সংগঠন ইউনাইটেড নেশনস এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রাম বা ইউএনইপি। ২০১৫ সালে প্য়ারিসে ইউএন ক্লাইমেট কনফারেন্স বা সিওপি২১-এর আড়ালে ভারত ও ফ্রান্স একসঙ্গে আইএসএ তৈরি করে। সৌর শক্তি-র ব্যবহারকে অগ্রাধিকার দেওয়া দেশগুলির মধ্যে একটা সমন্বয় গড়ে তুলতে আইএসএ তৈরি করা হয়েছিল। যার উদ্দেশ্যই হল সৌর শক্তি-কে বৈচিত্রময় পথে আরও বেশি করে ব্যবহারযোগী করে তোলা। এই মুহূর্তে ১২১টি দেশ আইএসএ-র সদস্য। ভারতের গুরুগ্রাম এই আইএসএ-র সদর দফতর।

বিশ্বজুড়ে পরিবেশ রক্ষায় মাকরঁ যে ভাবে উদ্যোগী হয়েছেন এবং নরেন্দ্র যেভাবে ২০২২ সালের মধ্যে ভারত থেকে সিঙ্গল-ইউজ প্লাস্টিকের ব্যবহারকে বন্ধ করার শপথ নিয়েছেন, তাতে মুগ্ধ ইউএনইপি। নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সঙ্গে কোচি বিমানবন্দরের কপালেও জুটেছে নয়া স্বীকৃতি। কোচি বিমানবন্দর বিশ্বের প্রথম পুরোপুরি সৌর-শক্তি চালিত বিমানবন্দর। সাসটেনেইবল এনার্জি-ক্ষেত্রে কোচির নেতৃত্ব তাকে আন্তেঁপ্রঁনিরিয়াল ভিসন ক্যাটিগরি-তে সেরার সম্মান এনে দিয়েছে। সরকার থেকে শুরু করে নাগরিক সমাজ, বেসরকারি ক্ষেত্রের যে সব মানুষ তাদের অসামান্য নেতৃত্বে পরিবেশের উপরে একটা পজিটিভ ইমপ্যাক্ট তৈরি করে তাদেরকে ‘চ্যাম্পিয়ন্স অফ দ্য আর্থ’ সম্মানে সম্মানিত করা হয়।

এখন পর্যন্ত মোট ৮৪ জন এবং সংগঠন-কে এই ‘চ্যাম্পিয়ন্স অফ দ্য আর্থ’ সম্মানে সম্মানিত হয়েছেন। এঁদের মধ্যে যেমন আছেন নিচুতলার সমাজকর্মী, তেমনি আছেন নীতি, বিজ্ঞান, ব্যবসা ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি। গত ১৩ বছর ধরে এই সম্মান দিয়ে আসছে রাষ্ট্রপুঞ্জ। এই সম্মান প্রাপকদের মধ্যে রয়েছেন সমুদ্র সৈকত পরিষ্কারে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রকল্পের নেতৃত্বে দেওয়া আফরোজ শাহ। তিনি ২০১৬ সালে এই সম্মান পেয়েছিলেন। রাওয়ান্ডান প্রেসিডেন্ট পল কাগামে ২০১৬-তে, প্রাক্তন মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট আল গোরে ২০০৭ সালে, ওসন ক্লিনআপ সিইও বোয়ান স্লাট ২০১৪ সালে, সায়েন্টিস্ট এক্সপ্লোরার বার্টান্ড পিককার্ড এবং গুগল আর্থ-এর ব্রায়ান ম্যাকক্লেনডন ২০১৩ সালে এই সম্মানে সম্মানিত হয়েছিলেন।


শেয়ার করুন
  • 5
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment