কলকাতা 

হিন্দুত্বেই আস্থা বিজেপি-র হাইটেক রথ যাত্রায় থাকছেন তিন কট্টর মুখ্যমন্ত্রী সহ ২০ জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী,বাংলা দখলই মোদী-অমিতের প্রধান লক্ষ্য ?

শেয়ার করুন
  • 12
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বিশেষ প্রতিনিধি : লোকসভা নির্বাচনের আগে এই রাজ্যে নতুন করে সাম্প্রদায়িক জিগির তুলতে চাইছে বিজেপি । তাই আগামী ৩,৫ ও ৭ ডিসেম্বর পশ্চিমবঙ্গে তিনটি জায়গা থেকে রথযাত্রার বের করার উদ্যোগ নিয়েছে বিজেপি । জানা গেছে বীরভূমের তারাপীঠে ৩ ডিসেম্বর রথযাত্রার সূচনা করবেন বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ ।

৫ ডিসেম্বর কোচবিহারে রথযাত্রার সূচনা করবেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল । গোটা উত্তরবঙ্গের প্রচারেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অসমের মুখ্যমন্ত্রীকে । ৭ ডিসেম্বর গঙ্গাসাগর থেকে রথযাত্রার সূচনা করবেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব ।

১০ ডিসেম্বর্ বিজেপি-র রথযাত্রা উপলক্ষে রাজ্যে প্রচারে আসছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ । তিনি বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের নির্বাচনী এলাকা খড়্গপুরে সভা করবেন । এছাড়া তাঁকে হাওড়া ও বর্ধমানেও প্রচারে নিয়ে যেতে চায় বিজেপি । রাজ্য বিজেপি-র সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু বলেন, “ইতিমধ্যেই ৩ জন মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যে প্রচারে আসবেন বলে আমাদের জানিয়ে দিয়েছেন। মূলত রথযাত্রাকে সামনে রেখেই রাজ্যের প্রতিটি কোণায় কোণায় আমরা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যাব। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব রাজ্যের একাধিক জায়গায় জনসভা করবেন।”

বিজেপি সূত্রে জানা গেছে,  টানা ৪৫ দিন ধরে চলবে রথযাত্রা। প্রতিদিন কমপক্ষে ৩ টি বিধানসভা এলাকা পরিক্রমা করবে রথ। ৪৫ দিন পর জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহে ব্রিগেডে জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানেও চমক হিসেবে কেন্দ্রের প্রায় ২০ জন হেভিওয়েট মন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন। দিল্লি দখলের মূল প্রচার ব্রিগেড থেকেই শুরু হবে। মূলত রথের গাড়িগুলিতে জায়ান্ট স্ক্রিন বসানো হবে। সেই জায়ান্ট স্ক্রিনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক প্রকল্প সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরা হবে।

বিশেষ সূত্রে জানা গেছে  ইতিমধ্যেই বিজেপি-র কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে ৩ মুখ্যমন্ত্রীকে মেল পাঠানো হয়েছে। তাঁরা রাজ্যে প্রচারে আসার বিষয়ে একপ্রকার অনুমোদন দিয়েছেন।

অন্যদিকে, ত্রিপুরা মডেলকে সামনে রেখে রাজ্যে প্রচারের একটি পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সেই কারণে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে নিয়ে আসা হচ্ছে। বিপ্লব দেবকেই সব থেকে বেশিদিন প্রচার কর্মসূচিতে কাজে লাগানো হবে বলেও জানা যাচ্ছে।

 


শেয়ার করুন
  • 12
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment