জেলা 

ত্বহা-সিদ্দিকুল্লাহ্ বৈঠক, রাজ্য রাজনীতিতে জোর জল্পনা

শেয়ার করুন
  • 31
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সেখ মিজানুর রহমানঃ মুসলমান সমাজের দুই প্রধান জনপ্রিয় নেতা পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকী ও জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের রাজ্য সভাপতি তথা রাজ্যের জনশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার মন্ত্রী মাওলানা সিদ্দিকুল্লাহ্ চৌধুরীর মধ্যে ফের একপ্রস্থ আলোচনা হয়েছে। বুধবার বাগনানের বাইনানে একটি মাদ্রাসায় সম্প্রীতি সভায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে কোলাঘাটে একটি হোটেলে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে সাম্প্রদায়িক শক্তিকে কীভাবে প্রতিহত করা যায় সেই বিষয়ে দুজনের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। তবে এছাড়া রাজ্য রাজনীতি নিয়েও দুজনের মধ্যে একপ্রস্থ আলোচনা হয়েছে বলে বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে।

সম্প্রতি পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়াকে কেন্দ্র করে দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন মন্ত্রী। সূত্রে খবর, নিজের এলাকা কাটোয়ায় মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠদের কাউকে টিকিট দেয়নি দল। এতেই গোঁসা হয়েছে মন্ত্রীর। কিছুদিন আগেই রাজ্যের দেওয়া গাড়ি ও নিরাপত্তারক্ষী প্রত্যাহার করেছেন তিনি।  তবে সিদ্দিকুল্লাহ্ শুধু রাজ্যের একজন মন্ত্রীই নন, বিশিষ্ট আলেমও। তাই মুসলিম সমাজে তাঁর মর্যাদা অনেক বেশি। কিন্তু তাঁকে বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডল যেভাবে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন, তাকে ভালো চোখে দেখছে না মুসলিম সমাজের একাংশ। যার প্রভাব আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে পড়তে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আবার আলিয়া বিশ্ব বিদ্যালয়ে সার্চ কমিটি গঠন নিয়েও মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ মহলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্চ কমিটিতে কিছুদিন আগেও একমাত্র মুসলিম প্রতিনিধি হিসাবে ছিলেন তিনি।  কিন্তু সম্প্রতি সেই কমিটি ভেঙে নতুন করে কমিটি গঠন করা হয়েছে। শোনা যাচ্ছে নতুন  কমিটিতে সিদ্দিকুল্লাহ্ তো নেই, বরং কোনও মুসলিম প্রতিনিধিকেই রাখা হয়নি। যা নিয়ে যথেষ্টই ক্ষুব্ধ তিনি।

এছাড়া ত্বহা সিদ্দিকিও বিভিন্ন ইস্যুতে রাজ্য সরকারের প্রতি ক্ষুব্ধ রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। দুই জনপ্রিয় নেতার শাসকদলের প্রতি ক্ষোভকে ভালো চোখে দেখছে না মুসলিমরা। যার ফলে এই দুই মুসলমান প্রধানের বৈঠক নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও মন্ত্রী জানিয়েছেন তিনি দলের হয়েই কাজ করবেন।

 


শেয়ার করুন
  • 31
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment