জেলা 

পঞ্চায়েত ভোটের আগে সিদ্দিকুল্লাহর বিদ্রোহ, বেকায়দায় তৃণমূল কংগ্রেস

শেয়ার করুন
  • 252
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বিজে নিউজ ডেস্কঃ পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে শাসক দল তৃণমূলের কাছে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহর বিদ্রোহ।জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ সংগঠনের রাজ্য নেতা গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন।মূলত সিদ্দিকুল্লাহকে সামনে রাখে রাজ্যের 30শতাংশ মুসলিম ভোটের বেশির ভাগ অংশ হাসিল করে বিপুল গরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসীন হন মমতা বন্দোপাধ্যায়।সিদ্দিকুল্লাহর পুরস্কারও জুটে যায়।তিনি রাজ্যের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।তবে সেই মন্ত্রীত্ব তাঁর মনমত ছিল না।শোনা যায় তিনি নাকি সংখ্যালঘু উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী হতে  চেয়েছিলেন। তাঁকে ওই দপ্তর না দিয়ে লাইব্রেরী ও জনস্বাস্থ্য এবং পরিষদীয় দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী করা হয়।তবুও তিনি দলের স্বার্থে কাজ করে গেছেন বলে তার ঘনিষ্ট মহল দাবি করেছে।
এসত্ত্বেও তিনি মন্ত্রীত্ব করার পাশাপাশি বিধায়ক হিসেবে  কাটোয়ায় কাজ করছিলেন।কিন্তু দলের একাংশের বিরোধের ফলে তিনি খানিকটা বিরক্ত ছিলেন।গত বছর এক তৃণমূল কর্মীর খুন কে কেন্দ্র করে সিদ্দিকুল্লাহর ঘনিষ্ঠদের টার্গেট করা হয়।এমনকি সিদ্দিকুল্লাহর ভাইয়ের বিরুদ্ধে ও খুনের মামলা দায়ের করা হয়। শাসক দলের এই অহেতুক বিরোধের মূল কারণ হল ক্ষমতা দখলের লড়াই।অপূর্ব সরকার এবং অনুব্রত মন্ডল বনাম সিদ্দিকুল্লাহর ঘনিষ্ঠদের মধ্যে সংঘাত দিনদিন বেড়ে যাচ্ছে।আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনকে ঘিরে এই কোন্দল রাস্তায় নেমে আসে।সিদ্দিকুল্লাহর ঘনিষ্ঠদের পঞ্চায়েতে প্রার্থী না করায়, এবার ভেতর থেকে বেরিয়ে এসে সরাসরি আসরে নামেন মন্ত্রী নিজেই।তিনি রাজ্য নেতৃত্বকে কড়া ভাষায় চিঠি লিখেছেন বলে তাঁর ঘনিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।একই সঙ্গে মন্ত্রী হিসেবে পাওয়া সরকারি গাড়ি এবং দেহরক্ষী ফেরত দিয়েছেন।সিদ্দিকুল্লাহর এই বিদ্রোহে ভোটের মুখে বেশ খানিকটা বেকায়দায় পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।জানা গেছে, আজ মঙ্গলবার সিদ্দিকুল্লাহর ক্ষোভ সামাল দিতে আসরে নেমেছেন শাসক দলের মহাসচিব পার্থ চ্যাটার্জী।আজ বৈঠক হওয়ার কথা আছে।
সিদ্দিকুল্লাহর এই বিদ্রোহের ফলে শাসক দলের ভোট ব্যাংকে খানিকটা চির যে ধরবে তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

শেয়ার করুন
  • 252
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

২ Thoughts to “পঞ্চায়েত ভোটের আগে সিদ্দিকুল্লাহর বিদ্রোহ, বেকায়দায় তৃণমূল কংগ্রেস”

  1. গালিব ইসলাম

    বাংলার জনরব-এর
    এই সংবাদ পোর্টাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আত্মপ্রকাশ বলে আমার ধারবা। জনরবের জন্মলগ্ন থেকে, যখন প্রিন্ট মিডিয়া হিসেবে সবে আত্মপ্রকাশ করেছিল, আমি তার সংবাদ বিশ্লেষনের দায়বদ্ধতার সংগে পরিচিত।
    এখন এই নিউজপোর্টাল আশা করবো নতুন প্রত্যাশা পূরন করতে সমর্থ হবে।
    সময়টা ধর্মীয় ফ্যাসিবাদের আগ্রাসনের কাল। এর ফলে, আমরা দেখেছি, আমাদের সমাজের শান্তি ও সহাবস্থানে এবং বহুমাত্রিক সমাজ ব্যবস্থার দীর্ঘ কাঠামোয় একটা ভয়াবহ আক্রমন সংগঠিত করতে তৎপর হয়ে উঠেছে।
    ইতিমধ্যে বাংলায় সম্প্রতি রামনবমীকে কেন্দ্র করে রীতিমতো এক
    সামাজিক-সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে গভীর সংকটময় পরিস্থিতি তৈরি করতে তৎপর হয়ে ওঠে।
    রজ্যের মানুষ এবং তাদের শুভবুদ্ধি জাগ্রত থাকায় হিন্দুত্ববাদি নব্য নাজিবাদিরা সফল হয়নি। কিছু মিডিয়া এই হীন তৎপরতায় লিপ্ত। এখানে
    এই নিউজপোর্টালটি আশা করবো আগামী দিনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নেবে।
    আর একটি প্রস্তাব আছে, তাহলো, বাংলার জনরবএ সাহিত্য-সংস্কৃতির জায়গা থাকা দরকার।
    আশা করবো, বাংলার লোকায়ত ধারা, নিম্নবর্গীয়, এবং জাতিসত্ত্বার অধিকার সহ মানবাধিকারের প্রশ্নটিও সমানভাবে পোর্টালে গুরুত্ব পাবে।
    গালিব ইসলাম

  2. Hafizur Rahaman

    আপনার ধন্যবাদ বাস্তবতা অপরসিম,ভলো লিখেছেন।

Leave a Comment