পঞ্চায়েত সংবাদ 

পঞ্চায়েতে উত্তরবঙ্গ, নদীয়া ও পুরুলিয়া জেলায় তৃণমূলকে টক্কর দেবে বিজেপি

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সেখ ইবাদুল ইসলামঃ এইবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে শাসক তৃণমূলকে সমানে সমানে টক্কর দেবে বিজেপি।বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের প্রায় সর্বত্র শাসক দলের সঙ্গে বিজেপি র লড়াই হবে।
উত্তরদিনাজপুরের রায়গঞ্জে সাংসদ মুহাম্মদ সেলিমের নেতৃত্বে সিপিএম খানিকটা লড়াই করতে পারলেও জেলার বাকি জায়গায় বামেরা এখন ব্রাত্য হয়ে গেছে।
কোচবিহার জেলার অধিকাংশ আসনে বিজেপি মূল প্রতিপক্ষ হয়ে উঠেছে।
নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ভাবে হলে এই এলাকাগুলিতে বিজেপি ভালো ফল করবে বলে রাজনৈতিক মহলও মনে করছে।তবে শাসক দল কোচবিহারে অশান্তি করতে পারে অনুমান করে বিজেপিও সাংগঠনিকভাবে প্রস্তুত আছে বলে বিশেষ সূত্রে জানা গেছে।
অন্যদিকে জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি ব্লকে কার্যত ভোটের আগেই বিজেপির রমরমা এখনই চোখে পড়ছে।এই ব্লকের বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতা ইতিমধ্যেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।আলিপুরদুয়ার জেলাতেও শাসক দলকে কার্যত বিজেপির তীব্র প্রতিরোধের মুখে পড়তে হবে। দক্ষিণ দিনাজপুরে ও শাসক দলের অন্তরকলহর সুযোগ  নেবে বিজেপি।মোট কথা হল, আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে বিজেপি দলের কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে বর্তমান শাসক দল।
এইদিকে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতে শাসক দল একছত্র আধিপত্য দেখাতে পারবে।কিন্তু সেই আধিপত্য পুরুলিয়া ও নদিয়া জেলায় থাকবে না।পুরুলিয়া জেলার আদিবাসীদের মধ্যে বিজেপি ভালো সংগঠন করেছে।শাসক দলের নেতাদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এই জেলায় বিজেপি র উত্থানের পথ কে সুগম করেছে।
আর নদিয়া জেলায় অবশ্য অন্য কারণে
তৃণমূলকে খানিকটা বেগ দেবে।এই জেলার বাসিন্দা হওয়ার কারণে মুকুল রায়ের সঙ্গে শাসক দলের নেতাদের সম্পর্ক খুবই ভালো।এছাড়াও এই জেলায় মুকুল রায় অন্যতম ফ্যাক্টর হতে পারে।ফলে এই জেলায় বেশ খানিকটা বেগ পাবে তৃণমূল।

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment