কলকাতা 

সোমবার ভারত বনধের দিন রাজ্য সরকারের কর্মীদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক, না আসলে কাটা যাবে মাইনে, শোকজ করা হবে , প্রয়োজনে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত অর্থ দপ্তরের বিঞ্জপ্তিতে

শেয়ার করুন
  • 18
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিনিধি : মোদী বিরোধী তরজা জারি রাখলেও, মোদী সরকারের জনবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে কংগ্রেস সহ দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলির মিলিতভাবে ডাকা ভারত বনধকে সমর্থন করছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । শুধু বনধ সমর্থন করছেন না তা নয় সেই তিনি ঘোষণা করেছেন কোন রাজ্য সরকারের কর্মী এদিন অনুপস্থিত থাকতে পারবেন না। এই মর্মে বিঞ্জপ্তিও জারি করেছে অর্থদপ্তর।

১০ সেপ্টেম্বর ভারত বনধের দিন উপস্থিত থাকতে হবে সরকারি কর্মীদের। দপ্তরে না এলে শোকজ়ও করা হতে পারে। এই বিজ্ঞপ্তি জারি করল অর্থদপ্তর। সেই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর উপস্থিত না থাকলে কাটা হবে একদিনের বেতন। একইসঙ্গে তাঁকে শোকজ় করে জানতে চাওয়া হবে ওইদিন অফিস না আসার কারণ ?

রাজ্য সরকারের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী শোকজ়ের মাধ্যমে জানতে চাওয়া হবে সরকার যখন অফিস আসা বাধ্যতামূলক করেছিল তারপরও কেন সেই কর্মচারী অফিস এলেন না ? জানতে চাওয়া হবে কেন তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে না রাজ্য সরকার ? তবে এই ব্যাপারে বেশ কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে।৭ তারিখের আগে থেকে কেউ যদি অসুস্থ হয়ে থাকেন ও হাসপাতালে ভরতি হয়ে থাকেন তবে পর্যাপ্ত প্রমাণ দিলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।
পরিবারে কারও মৃত্যু ঘটলে সেক্ষেত্রেও পাওয়া যাবে ছাড়।মাতৃত্বকালীন ছুটি বা ৭ তারিখের আগে নেওয়া ছুটির ক্ষেত্রে ছাড় দেবে সরকার।
১০ তারিখ সরকারি কর্মচারীদের কাউকে যদি হাসপাতলে ভরতি করতে হয় তবে তার প্রমাণ দিলে পাওয়া যাবে ছুটি।

তবে শরীর খারাপ, গাড়ি না থাকার কারণে আসতে না পারা এই সমস্ত কারণ দেখিয়ে ১০ তারিখ ছুটির আবেদন গ্রাহ্য করবে না রাজ্য সরকার। যাদেরকে শোকজ় করা হবে দু’দিনের মধ্যে তার উত্তর না পাওয়া গেলে, সেই সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিধিভঙ্গের দায় চাপাতে পারে সরকার। এমনকী নেওয়া যাবে না ক্যাজুয়াল লিভও। প্রথমার্ধে উপস্থিত দ্বিতীয়ার্ধে অনুপস্থিত থাকাও চলবে না। বাধ্যতামূলকভাবে ১০ তারিখ দপ্তরে আসতেই হবে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে ১৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিপোর্ট দিয়ে জানাতে হবে কারা সরকারের নির্দেশিকা মানলেন আর কারা মানলেন না।


শেয়ার করুন
  • 18
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment