প্রচ্ছদ 

ভারতের লজ্জা কোথায় ঢাকবেন মোদিজি!

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আব্দদুল মোমেনঃ শম্ভুলাল রেগরের নারকীয়তায় বিশ্ব কেঁপে উঠেছিল। গোটা বিশ্ব তোলপাড় হল। বিশ্বের দরবারে ভারত লজ্জিত হয়েছিল। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই আর এক পৈশাচিক ঘটনার সাক্ষি রইল বিশ্ব। যারাই এই সমস্ত পৈশাচিক ঘটনার খলনায়ক তারা তথাকথিত দেশভক্ত তথা গেরুয়া বাহিনীর পরম পূজনীয়। তারাই হিন্দুত্বের আইকন। হিন্দুত্ববাদীরা তাদের বীরের শ্লোগান দিয়ে মিছিল বার করে। এটাই বর্তমান ভারতের ট্র্যাডিশন ।মানুষ মেরে উল্লাস প্রকাশ করা ভারতের সংস্কৃতি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এমনকী ব্যক্তি স্বার্থজনিত বিবাদেও মুসলিম বা দলিত হত্যা হিন্দুত্ববাদীদের কাছে  হিরো বনে যাওয়ায় এজাতীয় হত্যা নিকৃষ্ট ও নগণ্য প্রাণী হত্যার সমান হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সদ্য সদ্য জম্মু কাশ্মীরের কাঠুয়ার ঘটনা ভারত তথা বিশ্ব বিবেককে নাড়া দিয়েছে। কারণ
নরপীশাচ গুলো আট বছরের বাচ্চা মেয়ে আসিফাকে মন্দিরের মধ্যে লুকিয়ে রেখে বেশ কিছুদিন ধর্ষণ করলো।  এখানেই শেষ নয় অন্য শহর থেকে বন্ধুদের ডেকে তাদেরকে দিয়েও ধর্ষণ করালো। বাচ্চাটিকে বেহুঁশের ট্যাবলেট খাইয়ে যখন মন চাইতো ধর্ষণ করেছিল।
তারপর যখন পাথর মেরে হত্যা করতে চাইছিল, সেই সময় এক পুলিশ অফিসার বললো মারার আগে আমাকেও একবার ধর্ষণ করে পূণ্যী করার সুযোগ দাও।
আমাদের গর্বের দেশের অধুনা দেশভক্তরা গৌরবান্বীত যে আসিফা মুসলিম, তার উপর কাশ্মীরি মুসলিম। তাই এটাকে দেশভক্তের গেরুয়া রঙে রাঙিয়ে দিলো  ধর্ষণপ্রেমী সংগঠন।
ঝটপট হিন্দু একতা মঞ্চ নামের একটা সংগঠন এবং বিজেপির দুই মন্ত্রী জাতীয় পতাকা নিয়ে “ভারত মাতা কি জয়” “জয় শ্রীরাম” ইত্যাদি শ্লোগান দিয়ে জাতীয়তাবাদী দেখাতে পথে নেমে গেলো
এবং একভাবে এমনই বার্তা দিলো যে “মেয়েটা বড়ো হয়ে সেই তো আতঙ্কবাদীই হতো ” তাই একে ধর্ষণ করা পাপ নয়,,,। হায়রে গর্বের ভারত আর ভারত মাতার মাতৃভক্ত সন্তান, তোমাদের জন্যে ভারতের মাথা কি হেঁট হচ্ছে না উঁচু হচ্ছে?

তালিবানরা যদি বিশ্বে নিন্দিত হয়, তাহলে ভারতের অধুনা রামভক্তরা নিন্দিত নয় কেন?  এরাতো বিশ্বের সমস্ত সন্ত্রাসী দলকেও লজ্জায় ফেলে দিচ্ছে। রামের নামে সন্ত্রাসীরা প্রধানমন্ত্রী মৌনতায় উৎসাহ পাচ্ছে ।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment