কলকাতা 

গ্রন্থাগার দপ্তর যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আধুনিকীকরণ হওয়ার পাশাপাশি পাঠক টানতে একগুচ্ছ কর্মসূচি : সিদ্দিকুল্লাহ

শেয়ার করুন
  • 5
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বিশেষ প্রতিবেদক : মা-মাটি মানুষের সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর সব দিক দিয়েই উন্নয়ন চোখে পড়ছে । সার্বিক উন্নয়নের পাশাপাশি রাজ্য সরকারের এমন কিছু দপ্তর ছিল যাদের নাম সাধারণ মানুষ তেমনভাবে জানত না । বা জানলেও ওই দপ্তরের কাজ  সম্পর্কে তেমন ধারণা ছিল না। এরকমই একটি দপ্তর হল গ্রন্থাগার ও জনশিক্ষা দপ্তর । গ্রন্থাগার দপ্তরটির নাম জানলেও এর কাজকর্ম তেমনভাবে মানুষের চোখে পড়েনি। কিন্ত ২০১৬ সালে এই দপ্তরের মন্ত্রী হওয়ার পর মাওলানা সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরি দপ্তরটির খোলনোলচেই বদলে দিয়েছেন। পাঠক বর্গ শুনলে অবাক হবেন, রাজ্য সরকার পরিচালিত মাদ্রাসাগুলিতে যেখানে নবী দিবস পালনের কোন নির্দেশিকা নেই সেখানে গ্রন্থাগার দপ্তর বছরে রাজ্যের প্রতিটি সরকারি বা সরকার অনুমোদিত লাইব্রেরীতে ৫২টি দিবস পালন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দপ্তর থেকে । এর মধ্যে রয়েছে ইদ-উল-ফিতর, ইদ-উল-আযহা ও নবী দিবস পালনের নির্দেশ। যা শুধু অভাবনীয় নয়, সম্প্রীতি রক্ষায় বলিষ্ঠ পদক্ষেপ বলা যেতে পারে । আর এটা সম্ভব হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদারতা ও দপ্তরের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরির উদ্যোগ । বিগত আড়াই বছরে কী করেছেন সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরি তা নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে বাংলার জনরব নিউজ পোর্টালে ? আজ প্রথম কিস্তি ।

মাত্র আড়াই বছরের মধ্যেই গ্রন্থাগার ও জনশিক্ষা দপ্তর অনেক কাজ শুরু করেছে কিংবা পুরানো কাজগুলি শেষ করেছে । সবচেয়ে মজার বিষয় হল আগের মন্ত্রীরা তেমনভাবে জেলা সফর করতেন না। জেলা গ্রন্থাগারগুলি কী অবস্থায় আছে তা মন্ত্রীরা তেমনভাবে পর্যালেচানা করত না । সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরি মন্ত্রী হওয়ার পর প্রায় প্রতিটি জেলা তিনি সফর করেছেন এবং জেলার গ্রন্থাগারগুলির অবস্থার পর্যালোচনা করেছেন। কোথায় কী কী অসুবিধা আছে তা তিনি প্রথমেই খতিয়ে দেখেছেন । শুধু সরকারী কিংবা সরকার অনুমোদিত গ্রন্থাগার নয়, ব্যক্তিগত উদ্যোগ কিংবা সমষ্টি গত উদ্যোগে বেসরকারিভাবে গড়ে ওঠা লাইব্রেরীগুলিকে সাহায্য করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরি ।

আর সরকারি যেসব লাইব্রেরী পরিকাঠামোগত কারণে অব্যবস্থার শিকার হয়ে পড়েছিল সেগুলিকে খানিকটা ঠিক করার চেষ্টা হচ্ছে বলে মন্ত্রী জানালেন। সবচেয়ে বড় কথা হল, রাজ্যে প্রায় ৮০টি গ্রন্থাগারকে মডেল লাইব্রেরী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে । যেসব লাইব্রেরীতে কর্মী অপ্রতুল ছিল সেখানে অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের পুনরায় নিয়োগ করার মাধ্যমে কর্মী সংকট মেটানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বা অনেকটাই হয়েছে বলে মন্ত্রী জনাব সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরি জানালেন। এরপর আবার আগামী সপ্তাহে এই দপ্তরে বিস্তারিত উন্নয়নের রূপরেখা তুলে ধরা হবে । পড়তে থাকুন বাংলার জনরব/ শেয়ার করুন/ আপনার বার্তাকে লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে পৌঁছে দিন শেয়ারের মাধ্যমে।


শেয়ার করুন
  • 5
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment