দেশ 

শিখ ধর্মগ্রন্থ গ্রন্থ সাহেবকে অবমাননা করার দায়ে খুন করা হয় লাখবীর সিংকে, খুনের দায় স্বীকার করে চারজনের আত্মসমর্পণ পুলিশের কাছে

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক: গত পরশু দিন দিল্লির সীমান্তে কৃষক আন্দোলনের মঞ্চের পাশে যে মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল তার খুনের সঙ্গে যুক্ত থাকা ব্যক্তিরা একের পর এক পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করতে শুরু করেছে। জানা গেছে শিখ সম্প্রদায়ের ধর্মগ্রন্থ গ্রন্থসাহেব এর অবমাননা করার দায়ী লোক লাখবীর সিং কে খুন করা হয়েছে।

এই হত্যা মামলায় আজ আত্মসমর্পণ করলেন আরও তিনজন। ফলে এই ঘটনায় ধৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪। এদের মধ্যে দু’জন শনিবার রাতে আত্মসমর্পণ করে। এদিকে নৃশংস খুনের কারণও স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার রাতে আত্মসমর্পণ করা দুই যুবকের নাম ভগবন্ত সিং ও গোবিন্দ সিং। শিখদের নিহং গোষ্ঠীর (Nihang) এক সংগঠনের সঙ্গে তারা যুক্ত। দু’জনের আত্মসমর্পণের ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, গলায় মালা পরে থানায় যাচ্ছে তারা। আবার হাততালি দিয়ে সম্মান জানাচ্ছেন সংগঠনের বাকি সদস্যরা। ইতিপূর্বে শুক্রবার রাতেই সরবজিং সিং আত্মসমর্পণ করে। তাঁর বয়ানের উপর ভিত্তি করে নারায়ণ সিং নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে। ফলে লখবীর সিং হত্যা মামলায় ধৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৪।

ধৃতেরা পুলিশকে জানিয়েছে, লখবীর শিখদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থের অবমাননা করছিল। তাই তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। যদিও লখবীরের গ্রামবাসী ও পরিবারের দাবি, তিন বেশিরভাগ সময় ড্রাগের নেশায় ডুবে থাকতেন তিনি। সেই নেশাই কাল হল। পরিবারের আশঙ্কা, নেশার ঘোরেয়ই পবিত্র ধর্মগ্রন্থ সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্যে করে থাকবেন। তার জেরেই এমন আচরণ করে ফেলেছিল দলিত যুবক লখবীর।

এদিকে শিখদের নিহং গোষ্ঠীর খালসা উডনা দলের নেতা বলবিন্দর সিংহ সংগঠনের তরফে খুনের দায় স্বীকার করা হয়েছিল। তাদের সদস্য সরবজিৎ সিংকে ১৪ দিনে হেফাজতে চেয়েছিল পুলিশ। যদিও সাতদিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ