জেলা 

গোলাম মোর্তজা প্রতিষ্ঠিত মামুন ন্যাশনাল স্কুলের ছাত্র এবং উচ্চমাধ্যমিকে পঞ্চম স্থানাধিকারী শরিফুল ইসলামকে মমরাজ আগরওয়াল রাষ্ট্রীয় পুরস্কার প্রদান করবেন ১৫ সেপ্টেম্বর রাজভবনে রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী

শেয়ার করুন
  • 21
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সেখ ইবাদুল ইসলাম : বিভক্ত ভারতে ইতিহাস চর্চার পথিকৃৎ জনাব গোলাম আহমাদ মোর্তজা সাহেবের স্বপ্ন আবারও সার্থক হল । তিনি ইতিহাস চর্চার মধ্য দিয়ে দুই সম্প্রদায়ের মিলন সেতু রচনা করার চেষ্টা করে চলেছেন সারা জীবন ধরে । সাফল্য এসেছে । তবে এভাবে সাফল্য আসবে তা আমরা ভেবে দেখিনি। দেশের মেধা অন্বেষণে প্রথম সারির সংস্থা হিসেবে মমরাজ আগরওয়াল ফাউন্ডেশন কয়েক দশক ধরে এই রাজ্যে কাজ করে চলেছে । এই সংস্থার সঙ্গে যুক্ত আছেন আমাদের রাজ্যে প্রাক্তন রাজ্যপাল ও কলকাতা হাইকোর্টে প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি শ্যামল সেন সহ দেশের বেশ কয়েকটি হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতিরা, যুক্ত আছেন বেশ কয়েকটি দেশের প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা।

এই রকম একটি বিখ্যাত সংস্থার পক্ষ থেকে গোলাম আহমাদ মোর্তজা সাহেবের প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয় মামুন ন্যাশনাল স্কুলের ছাত্র ও এবছর উচ্চ-মাধ্যমিকে পঞ্চম স্থানাধিকারী শরিফুল ইসলামকে মমরাজ আগরওয়াল রাষ্ট্রীয় পুরস্কারের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে । প্রয়াত মমরাজ আগওয়ালকে, সমাজসেবার স্বীকৃতি স্বরুপ ভারত সরকার তাঁকে পদ্মশ্রী উপাধি প্রদান করেছিল । তাঁর প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থাটি ২১ বছর ধরে রাজ্যের মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের পুরস্কার দিয়ে আসছে ।

মুর্শিদাবাদের সন্তান, বর্ধমানের মেমারির মামুন ন্যাশনাল স্কুলের ছাত্র শরিফুলের এই সম্মানে উজ্জীবিত হবে বাংলার পিছিয়ে পড়া সংখ্যালঘু মুসলিমরা । মমরাজ ফাউন্ডেশন থেকে পাঠানো আমন্ত্রণ পত্র অনুসারে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর শনিবার রাজভবনে বিকেল ৫ টায় রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী এই পুরস্কার শরিফুলের হাতে তুলে দেবেন।

আসলে শিক্ষা আর মেধা এই দুইয়ের মধ্য দিয়েই বাঙালি মুসলিম সমাজ সামনের সারিতে এগিয়ে আসতে পারে ।  শিক্ষা আর মেধার মাধ্যমেও দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে আড়াল ভেঙে নতুন ভারত গড়ে উঠতে পারে । বিবেকানন্দের ভাষায় ‘আত্মশক্তিতে‘ ভরপুর হয়ে জেগে উঠবে বাঙালি মুসলিমরা। শরিফুলরা যেপথ তৈরি করে গেলেন সেই পথ ধরেই আলোর দিশা খুঁজে পাবে বাঙালি মুসলিম সমাজের ভবিষ্যৎ নাগরিকরা।


শেয়ার করুন
  • 21
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment