জেলা 

রহস্য মৃত্যু চিকিৎসকের, সন্দেহের তীর স্বামীর দিকে

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক :  পুরুলিয়ার বরাবাজার ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কোয়ার্টার থেকে এক মহিলা চিকিৎসকের পচা-গলা দেহ উদ্ধার। জানাগেছে,শুক্রবার সন্ধ্যায় ডা. সুচিত্রা সিংয়ের (৩৮) পচা-গলা দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। বরাবাজার ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মেডিক্যাল অফিসার ছিলেন সুচিত্রা সিং।

জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে হাসপাতালে অনুপস্থিত ছিলেন ওই চিকিৎসক। আবাসনের দরজা ছিল তালা বন্ধ। লগোয়া আবাসনে থাকা অন্যান্য সহকর্মীরা ভেবেছিলেন তিনি ছুটিতে গিয়েছেন। শুক্রবার সকাল থেকে ওই আবাসনের পাশ থেকে দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করে। সন্ধ্যার পর দুর্গন্ধ আরও বেড়ে যায়। তারপরে খবর দেওয়া হয় বরাবাজার থানার পুলিশকে। পরে পুলিশ কোয়ার্টারে তালা ভাঙে। ভিতরে ঢুকে প্লাস্টিকে মোড়া মৃতদেহ দেখতে পান পুলিশকর্মীরা।

চিকিৎসকের মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। বরাবাজার থানার পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, এটি খুনের ঘটনা। বেশ কয়েক বছর ধরে ওই মেডিক্যাল অফিসার তাঁর চার বছরের মেয়েকে নিয়ে ওই আবাসনে থাকতেন। গত রবিবার তাঁর স্বামী ওই আবাসনে আসেন। সেই সময় দু’জনের মধ্যে ঝামেলা হয়। স্বামী-স্ত্রী’র কথা কাটাকাটির আভাস পান প্রতিবেশীরা। বরাবাজার ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের আধিকারিক রবীন সরেন বলেন, “সোমবার সন্ধ্যায় আমার ওই সহকর্মী ও তাঁর পরিবারকে শেষবারের জন্য কোয়ার্টারে দেখেছিলাম। তারপর আর দেখা হয়নি। ওই দিন দুর্গাপুরে চিকিৎসকের একটি পরীক্ষা ছিল।” মনে করা হচ্ছে, সেদিনই চিকিৎসককে খুন করা হয়েছে। পুলিশ জানতে পেরেছে, ঘনিষ্ঠ মহলে নাকি স্বামীর পরকীয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন সুচিত্রা সিং। এ নিয়ে প্রায়দিনই তাঁর স্বামীর সঙ্গে ঝামেলা হত।

এই ঘটনায় স্বামীকে সন্দেহ করছে পুলিশ।

 

 

 

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ