জেলা 

নির্বাচনে সহানুভূতির পাওয়ার জন্যই নাকি দলীয় নেতাকে খুন করেছে সিপিএম দাবি পুলিশের

শেয়ার করুন
  • 4
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিনিধি : কাকদ্বীপের সিপিএম নেতা ও তাঁর স্ত্রীকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার ঘটনার নেপথ্যে নাকি ভোটের আগে সহানুভূতি আদায়ের জন্যই সিপিএম কর্মীরাই তাঁদের নেতাকে খুন করেছে বলে  দাবি জেলা পুলিশের। দক্ষিন ২৪ পরগনার সুন্দরবন জেলা পুলিশের দাবি, কাকদ্বীপ হত্যাকাণ্ডে তেলেঙ্গানা থেকে ধৃত ৯ জনকে জেরা করে এই তথ্য মিলেছে। অভিযুক্তরা জেরায়  নাকি স্বীকার করেছে, সিপিএমই এই খুন করেছে।

যদিও সিপিএম নেতা শমীক লাহিড়ীর এইসবই পুলিশের চক্রান্ত বলে মনে করছে সিপিএম। নবান্নের নির্দেশে পুলিশ এই নোংরা খেলা শুরু করেছে বলে দাবি সিপিএমের। সিপিএম নেতা শমীক লাহিড়ী বলেন, আমরা এর শেষ দেখতে চাই। ইতিমধ্যে হাইকোর্টে আমরা মামলা করেছি। আরও উপরে যেতে হয় যাব, এই নোংরামোর এবার শেষ হওয়া দরকার।

উল্লেখ্য, পঞ্চায়েত ভোট শুরু হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে কাকদ্বীপের বুধাখালিতে কাছাড়িবাড়ি গ্রামে সিপিএম নেতা দেবু দাস ও তাঁর স্ত্রী ঊষা দাসকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার অভিযোগ ওঠে। রাত ১২ টা নাগাদ দেবু দাসের ঘরের ভিতরে বাঁশের জানলার ফাঁক দিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। ঘরে তখন ঘুমোচ্ছিলেন দেবু দাস ও তাঁর স্ত্রী ঊষা দাস। কিছু বুঝে ওঠার আগেই সব শেষ। এই ঘটনায় অভিযোগের তির ওঠে তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে।


শেয়ার করুন
  • 4
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment