কলকাতা 

বিজেপিতে থাকা নরমপন্থীদের কী বার্তা দিলেন সৌগত রায়? জানতে হলে ক্লিক করুন

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জনাদেশ নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর তৃণমূল থেকে চলে যাওয়া অনেক বিজেপি নেতা এখন শাসক দলে ফিরতে চাইছেন। এই সব নেতাদের নিয়ে এখনো পর্যন্ত প্রকাশ্যে তৃণমূল নেতারা কোন মন্তব্য করতে চাননি। তবে কয়েকজন নেতা দলে ফিরতে চেয়ে আবেদন করার পরে কিংবা দলের প্রতি নরম মনোভাব দেখানোর পরে কর্মীদের প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। সম্প্রতি রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মন্তব্য  ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হওয়ার পর ডোমজুড়ের তৃণমূল কর্মীরা পোস্টার লাগিয়ে রাজীবকে গদদার বলে অভিহিত করে। এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে তৃণমূল থেকে যেসব নেতা বিজেপিতে চলে গেছেন তাদেরকে আর দলে ফেরানোর উচিত কিনা।

এদিকে আজ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন অনেকেই দলে ফিরতে চাইছেন তাদের মধ্যে অনেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলেছেন। তবে বিজেপি থেকে যারা দলে ফিরতে চাইছেন তাদের মধ্যে দুটি গ্রুপ আছে একটা নরমপন্থী ও চরমপন্থী। একথা বলেই সৌগত রায় থেমে যান । তারপর তিনি বলেন,তৃণমূল ত্যাগ করলেও শুভেন্দু অধিকারীদের মতো মমতাকে নিয়ে বাজে কথা কখনও বলেননি মুকুল রায়। নির্বাচনের আগেই একবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলতে শোনা গিয়েছিল,”মুকুল অত খারাপ নয়। ও বাজে কথা বলে না।”

তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের দাবি, “এমন বহু নেতা আছেন, যাঁরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, এবং তাঁরা এখন ফিরে আসতে চান।” সৌগতর বক্তব্য তৃণমূলের এই দলত্যাগীরা মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত। কেউ কেউ নরমপন্থী, কেউ কেউ চরমপন্থী। এরপরই বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা বলেন, “শুভেন্দু অধিকারীর মতো নেতারা যেখানে মমতাকে নিয়ে প্রকাশ্যেই বাজে কথা বলেছে, সেখানে মুকুল রায় কখনও মমতাকে নিজে কটু কথা বলেননি।”

দলের প্রবীণ নেতা সৌগত রায়ের এই ধরনের মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে তাহলে কি বিজেপিতে থাকা নরমপন্থী নেতাদের শাসকদলের স্বাগত জানানো হচ্ছে? শুভেন্দুর মত কট্টরপন্থী নেতাদের এড়িয়ে বিজেপি দলের অধিকাংশ নেতা কর্মীদের নিশানা করা হয়েছে। মুকুল রায়ের প্রতি নরম মনোভাব দেখিয়ে সৌগত রায় আসলে কোন রাজনৈতিক কৌশলী চাল দিলে তা বোঝা যাবে ভবিষ্যতে।

 

 

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment