কলকাতা 

অসমের নাগরিক পঞ্জি থেকে বাদ পড়া বাঙালিদের পাশে মমতা ,পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে অসমে সংসদীয় প্রতিনিধি দল পাঠাচ্ছে তৃণমূল

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিনিধি :  বহু প্রতীক্ষিত অসমের জাতীয় নাগরিক পঞ্জি প্রকাশিত হয়েছে । আর এই চূড়ান্ত নাগরিক তালিকা প্রকাশিত হওয়ার পর বির্তক চরমে উঠেছে। দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। চূড়ান্ত নাগরিক তালিকায় একজন-দুজন নয় বাদ পড়েছেন ৪০ লক্ষ বাঙালি। উল্লেখ্য ১৯৭১ সালের পরে যারা অসমে এসেছেন তাদেরকে নাগরিক হিসেবে গন্য না করার জন্যই এই নাগরিক পঞ্জি তৈরি করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হয়েছে বলে কেন্দ্র সরকার দাবি করেছে। এখন প্রশ্ন উঠেছে, যে ৪০ লক্ষ মানুষের নাম চূড়ান্ত নাগরিক পঞ্জি থেকে বাদ পড়েছে তারা যাবে কোথায় ? তাদেরকে কী বাংলাদেশ ফিরিয়ে নেবে। অভিযোগ উঠেছে এমন কিছু মানুষের নাম বাদ গেছে যারা তিন-চার পুরুষ বাংলাদেশে বাস করছে। এদিকে,অসমের জাতীয় নাগরিক পঞ্জি থেকে ৪০ লক্ষ নাম বাদ পড়ায় কেন্দ্রের দিকে আঙুল তুলে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এনআরসি নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন। কারণ দেশবাসীকে উদ্বাস্তু করে দিয়েছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। বিজেপি ইচ্ছা করে বাঙালিদের একঘরে করছে বলে মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন। যাঁরা চার-পাঁচ পুরুষ ধরে বসবাস করছেন অসমে , তাঁদের নামও বাদ দেওয়া হয়েছে। হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে বাঙালিদের বাদ দেওয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারি নথি-পত্র থাকা সত্ত্বেও অনেকের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চান সেইসব মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে, যাঁদের নিজভূমে পরবাসী করে দেওয়া হয়েছে। উদ্বাস্তু করে ছাড়া হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে ফোন, ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিজেপি সরকারের এই সিদ্ধান্তকে মেনে নেওয়া যায় না। প্রতিবাদ চলবেই। আমরা অসমবাসীর পাশে আছি বলে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এই জিনিস চলতে পারে না। আমি নিজে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব। সাংসদের একটি টিমকে আমি অসমে পাঠাচ্ছি। প্রয়োজনে আমিও যাব। তিনি বলেন, কেন্দ্র এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে একবার বাংলার সঙ্গে কথা পর্যন্ত বলেনি। কারণ অসমে জাতীয় নাগরিক পঞ্জি থেকে নাম বাদ দেওয়ার সবথেকে বেশি প্রভাব পড়বে বাংলায়।

 

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment