অন্যান্য 

তিতকুটে_কথা ১ / অধ্যাপক ইমানুল হক

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

অধ্যাপক ইমানুল হক : ভারতে আসল পরিবার একটাই সঙ্ঘ পরিবার। গান্ধী পরিবারের ধুয়ো তুলে সবাইকে বোকা বানাচ্ছে। নিজেদের দলে অসংখ্য ছোট পরিবারতন্ত্র। অমিত শাহ জয় শাহ, বিজয়াদিত্য সিন্ধিয়া, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, বসুন্ধরা রাজে পরিবার, প্রমোদ মহাজন পরিবার, রামন পরিবার অজস্র উদাহরণ।

আর ওরা সফলভাবে বিরোধীদের লড়িয়ে দিতে পারছে মিডিয়াকে ব্যবহার করে। সামাজিক মাধ্যম বেশ কিছু পেড কনটেন্ট বা কমেন্ট রাইটার ব্যবহার করে।
কাশ্মীরে মেহবুবা মুফতি ওমর আবদুল্লাহ জোট করলেন না। একবার ওমর একবার মেহবুবাকে ব্যবহার। মেহবুবা মুখ্যমন্ত্রী হলেন তারপর ছুঁড়ে ফেলল। যেই ওমর মেহবুবা জোট বাঁধতে গেলেন, অমনি ৩৭০ ধারা ব্যবহার করে দুপক্ষকেই জেলে পুরলেন।
এখন সব হারিয়ে ঐক্য গড়ছেন। বড্ড দেরি করে।
উত্তরপ্রদেশে সংখ্যালঘু আদিবাসী তফশিলি ভোট ভাগ করা হল। আদিবাসী সংখ্যালঘু তফশিলি তিন সম্প্রদায়ই দলিত।
কিন্তু তাদের দল ও নেতা একাধিক।
বহুজন সমাজ, সমাজবাদী পার্টি, আপনা দল।

আর ইদানীং ১৫ হাজার কোটি টাকার মালিক বানিয়ে আহাউদ্দিন ওয়েসিকে বাজারে ছেড়েছে। যে নিজের রাজ্য তেলেঙ্গানায় মাত্র আটটা আসনে লড়ে আর মহারাষ্ট্র উত্তরপ্রদেশ বিহার ঝাড়খণ্ডে লড়ে তিন বা চারগুণ আসনে। বিহারে তো আবার তৃতীয় জোট। ১০০র মতো আসন। ৪.৫২ শতাংশ ভোট কেটে জিতিয়েছে বিজেপিকে।

পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস ও সিপিএমের কিছু নেতাকে উপহার দিয়ে জোট হতে দিল না ২০১৯এ। ২০১৬ তে কংগ্রেস বাম জোট ৩৭% ভোট পেয়েছিল।
২০১৯ এ জোট না করে কংগ্রেস ও বামফ্রন্টের বেশিরভাগ আসনে জামানত বাজেয়াপ্ত।
আর তৃণমূল বিরোধী ভোট বিজেপির কাছে গেল। ৬% থেকে ১৮% হয়ে এখন ৪০%।

২০২১ ফ্যাসিবাদের চরম উত্থান দেখবে দেশ।
এখন জরুরি ছিল তৃণমূল এবং কংগ্রেসের প্রত্যক্ষ জোট এবং বামদলগুলোর সঙ্গে পরোক্ষ জোট।

অনেকেই বিছে পার্টির টাকা অথবা প্রশংসার কাছে বিকিয়ে দিচ্ছেন।
দলের চেয়ে দেশ বড়ো।
আর বিছে পার্টি ক্ষমতায় দেশ যাবে। দলও থাকবে না। পার্টি অফিসগুলোও রাখতে পারবেন না।
এখন তো তৃণমূল ঝামেলা করছে।
তখন ওমর আবদুল্লাহ ও মেহবুবা মুফতির মতো নিঃসঙ্গ সেলে মাথা খুঁড়বেন কিছু নেতা।

আর ধান্দাবাজরা ভিড়ে যাবেন।
আদর্শবাদীরা জীবন দিয়ে মূল্য চোকাবেন।

আর ডিএ প্রত্যাশীরা?

চাকরি থাকবে তো?

চাকরি প্রত্যাশীরা– যাঁরা ভোটের ঠিক আগে আবার জঙ্গি আন্দোলন করে তৃণমূল কতো বেকার বিরোধী প্রমাণ করতে এক বাম নেতার পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ মদতে আন্দোলনে নামবে ভাবছেন, তাঁরা আসাম ত্রিপুরা গুজরাত উত্তরপ্রদেশের খবর নিন। কত চাকরি দিয়েছে?
না চাকরি খেয়েছে!
রেলে ব্যাঙ্কে সেনাবাহিনীতে নিয়োগের কী খবর?

মধ্যপ্রদেশের ব্যাপম চাকরি কেলেঙ্কারি? সারদা নারদা নস্যি এর কাছে।
চাকরি ৭৫০ জন খুন দুর্নীতির প্রতিবাদ করে।

#
যেমন নাচায় দক্ষ বাজিগরে। নাচের সুতো বিছে পার্টির সঙ্ঘ পরিবারের হাতে। তৃণরা সিপিএম পেটাচ্ছে। সিপিএমের প্রধান লক্ষ্য মমতাকে সরানো। অধীরও এক পথে। শেষ হাসি?

আমরা যাঁরা ৭২ থেকে ৭৭ এ তীব্র অত্যাচার দেখেছি তাদের তো কংগ্রেসকে সমর্থন করতে হচ্ছে।
তৃণমূল একটা ফ্যান ক্লাব। তার অত্যাচার অসহ্য হলে সামরিক শক্তি সম্পন্ন বিচার সেনা মুদ্রা প্রশাসন সব কব্জা করাদের অত্যাচার আরো সহনীয় হবে?

গণহত্যাকারীদের মুখে ঠেলে দিচ্ছ বাংলার সংখ্যালঘুদের।
হাতে রক্তের দাগ মুছতে পারবে না।
কারণ দায় আপনারও থাকবে।
ভুল নীতির পক্ষে সওয়াল করেছিলেন বলে।

ইতিহাস ক্ষমা করবে না।
করবে না।

বিহারের পরিস্থিতি আলাদা?
বলছেন কেউ কেউ।
বিহার কি ভারতের বাইরে?

না পশ্চিমবঙ্গ ভারতের বাইরে?

জানতে মন চাই।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment