অধীর চৌধুরির কংগ্রেস আরও বড় ভাঙনের মুখে পড়তে চলেছে ! বাঙালি মুসলিম নেতারা কার্যত কংগ্রেসের সঙ্গ ত্যাগ করতে পারেন

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বুলবুল চৌধুরি : প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরির ভুলের মাসুল দিতে হচ্ছে রাজ্য কংগ্রেসকে । সোমেন মিত্র যেমন সবার সঙ্গে আলাপ আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নিতেন , অধীর চৌধুরি ঠিক উল্টো তিনি একাই সব সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন । রাজ্যের ৯৭ শতাংশ বাঙালি মুসলিম রয়েছে , কিন্ত প্রদেশ কংগ্রেস সংখ্যালঘু সেলের চেয়ারম্যান করা হয়েছে উর্দুভাষী এক মুসলিমকে । তাও তিনি জনপ্রিয় কোনো নেতা নেন । বড়বাজারের এক কাউন্সিলারের ঘনিষ্ঠ হওয়ার কারণে তিনি রাজ্য সংখ্যালঘু সেলের চেয়ারম্যান হয়েছেন ।

আর এতেই কংগ্রেস দলের  সংখ্যালঘু নেতাদের মধ্যে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে । ইতিমধ্যে বেশ কয়েক জন এর প্রতিবাদ জানিয়ে অধীর চৌধুরিকে চিঠিও লিখেছেন বলে জানা গেছে । অধীর চৌধুরির মনে রাখা উচিত কংগ্রেস দল এই রাজ্যে টিকে আছে বাঙালি মুসলিমদের সমর্থনে । তাঁর জেলা মুর্শিদাবাদ -মালদহ-র মুসলিমরা যদি কংগ্রেসকে ভোট না দেয় তাহলে কংগ্রেসের অস্তিত্ব টিকবে তো ! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনা করা খুবই সহজ । কিন্ত প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হিসাবে বাঙালি মুসলিমদের অবজ্ঞা করলে তার পরিণতি কী হতে পারে সেটা সিপিএম আজ হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে । অধীর চৌধুরি কোন যুক্তিতে প্রদেশ কংগ্রেসের সংখ্যালঘু সেলের চেয়ারম্যান বাংলাভাষীকে করলেন না ? সেটা জানতে চায় রাজ্যে মুসলিম সমাজ ।

আর এই কারণেই আগামী দিনে কংগ্রেস দল বাঙালি মুসলিম নেতৃত্ব শূণ্য দলে পরিণত হবে একথা হলফ বলা যায় । এবার মুর্শিদাবাদেও তৃণমূল কংগ্রেস আরও ভাল ফল করবে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে । আর এর নেপথ্যে রয়েছে অধীরের বাঙালি মুসলিম বিরোধী অবস্থান । আজ বাদুড়িয়ার বিধায়ক আবদুর রহিম গাজি কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর অধীর চৌধুরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছেন । তিনি বলেছেন , বিধানসভা নির্বাচনের আগে আপনার দল ভেঙে যাবে । কিন্ত অধীরবাবু আপনার মন এবং মানসিকতা ঠিক থাকলে বিধায়ক আবদুর রহিমকে রাজ্য সংখ্যালঘু সেলের চেয়ারম্যান তো করতেই পারতেন । তা করলেন না কেন ?……


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment