জেলা 

কাল মেদিনীপুরের সভায় কৃষকদের পাশাপাশি রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা ও সন্ত্রাস নিয়েও প্রধানমন্ত্রী মুখ খুলবেন দাবি বিজেপি-র

শেয়ার করুন
  • 3
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বিশেষ প্রতিবেদক :  সোমবার রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পশ্চিম মেদিনীপুরে মেদিনীপুর কলেজ ময়দানে কৃষক কল্যাণ সভায় বক্তব্য রাখবেন তিনি। সাড়ে ১২টা থেকে শুরু হবে তাঁর ভাষণ। কেন্দ্রীয় সরকার ৪ বছরে কৃষকদের জন্য কী কী উন্নয়মূলক কাজ করেছে, তা রাজ্যের মানুষের কাছে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী।এদিকে আজ সভাস্থলে চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজ খতিয়ে দেখতে যান রাজ্য  বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। ইতিমধ্যেই জেলায় পৌঁছেছেন দলের কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা, মুকুল রায় সহ  অন্য নেতারা।

প্রধানমন্ত্রী কাল বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ কলাইকুণ্ডায় নামবেন। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে যাবেন মেদিনীপুর পুলিশ লাইন। এরপর আড়াই কিমি রাস্তা গাড়িতে গিয়ে মেদিনীপুর কলেজ ময়দানে পৌঁছাবেন। দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট নাগাদ ভাষণ দিয়ে একই রুটে ফিরে যাবেন। সভায়  বিজেপি-র কিষান মোর্চার তরফে প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হবে উত্তর দিনাজপুরের তুলাইপাঞ্জি ও ব্ল্যাক রাইস চাল এবং শিলিগুড়ি সংলগ্ন বিধাননগরের আনারস। প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করার সময় তাঁর মাথায় কৃষকদের টোকা পরানো হবে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর হাতে একটি প্রতীকী লাঙল তুলে দেওয়া হবে।

সিচ। আজ সভাস্থল পরির্দশন করেন বিজেপি-র সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “রাতের মধ্যেই সভার কাজ পুরোপুরি শেষ হয়ে যাবে। রাজ্যে আমরা সাংগঠনিকভাবে এগিয়েছি বলেই বাংলাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে অমিত শাহ।”
দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু বলেন, “কাল ৩ লাখ ৮০ হাজার কৃষক সভায় উপস্থিত থাকবে৷ মূলত দক্ষিণবঙ্গের ১০টি লোকসভা কেন্দ্র থেকে এই সভায় মানুষ আসবেন। পশ্চিম মেদিনীপুর একেবারে অচল হয়ে যাবে। কৃষকদের পাশাপাশি রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা ও সন্ত্রাস নিয়েও প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য রাখতে পারেন।”
দলের কিষান মোর্চার সভাপতি রামকৃষ্ণ পাল বলেন, “মূলত এই সভায় দুই মেদিনীপুর, হুগলি, হাওড়া, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বর্ধমান সহ একাধিক জেলার  কৃষকদের হাজির করা হচ্ছে। রাজ্যে কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি ঠিকভাবে রূপায়িত হচ্ছে না। কেন্দ্রীয় সরকার মাটি পরীক্ষার জন্য বিশেষ কেন্দ্র চালু করেছে, কিন্তু রাজ্যে তার কিছুই হয়নি। কৃষিমন্ত্রক ফসল বিমার ব্যবস্থা করেছে কিন্তু, তার সুবিধা রাজ্যের কৃষকরা পাচ্ছে না। রাজ্যের সব কৃষক এখনও কিষান ক্রেডিট কার্ড পায়নি। এইসব বিষয় প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হবে।”


শেয়ার করুন
  • 3
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment