জেলা 

পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ডবলিউবিসিএস পরীক্ষা নিয়ে বিশেষ কর্মশালা নন্দকুমারে

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

জুলফিকার আলি :  পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন ও নন্দকুমার ব্লক প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে ওয়েস্ট বেঙ্গল সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার কর্মশালা শিবির আয়োজিত হল রবিবার।এ দিন নন্দকুমার বিবেকানন্দ কমিউনিটি হলে একদিনের এই শিবির হয়েছে।নন্দকুমার ব্লকের বিডিও আবু তায়েব বলেন,”ডবলিউবিসিএস পরীক্ষা কঠিন নয়,খুবই সহজ।সমস্ত বিষয়ের সম্মিলিত জ্ঞানই হল এই পরীক্ষা। ছাত্রছাত্রীদের নিজেদের পরিশ্রম করতে হবে। চারপাশের ঘটনা সম্পর্কে জানতে হবে। এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে নিজেরা প্রশাসনের দায়িত্ব নিতে পারবে। ছাত্রছাত্রীদেরডবলিউবিসিএস সম্পর্কে ভীতি প্রদর্শন করা চলবে না।সঠিকভাবে জ্ঞান অর্জন করলে ছাত্রছাত্রীরা নির্দিষ্ট লক্ষে পৌঁছাবে এবং সফল হবে।”ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট সুমন বিশ্বাস বলেন,”আগে ডবলিউবিসিএসর সিলেবাস সম্পর্কে ছাত্রছাত্রীদের জানতে হবে। তিনটি ধাপে পরীক্ষা হয়। প্রথমে প্রিলিমিনারী পরীক্ষা হয় ৮ টি বিষয়ের উপর মোট ২০০ নম্বর। সবই মাল্টিপল চয়েস কোশ্চেন থাকে। পাশাপাশি তিনটি প্রশ্ন ভুল করলে এক নম্বর কাটা যাবে। প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হল শুধুই কোয়ালিফাইড টেস্ট। দ্বিতীয় হল মেইন পরীক্ষা। এটি হল একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় ছ’টি কম্পালসারি ও একটি অপশনাল পেপার থাকে। এই পরীক্ষার সমস্ত প্রশ্নই ইংরেজি ভাষাতে হবে। ছাত্রছাত্রীদের মেইন পরীক্ষার দিকে তাকিয়ে বাংলা বইয়ের পাশাপাশি ইংরেজি মাধ্যমের সায়েন্সের বইও পড়তে হবে। এই পরীক্ষায় মোট ৪০০ নম্বরের প্রশ্ন থাকে। সবই বিস্তারিতভাবে লিখতে হয়। এটা গ্রাজুয়েশন লেভেলের প্রশ্ন থাকে। এরপর রয়েছে পারসোনালিটি টেস্ট।

এক্ষেত্রে ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন বিষয়ের উপর কনশেপসান দেখা হয়। ছাত্রছাত্রীরা ভবিষ্যতে একটা কাজ সম্পর্কে কতটা গভীরে যেতে পারে,মূলত সেটি দেখা হয়। পারসোনালিটি টেস্টে মোট ৬৫০ নম্বর থাকে।এম সি কিউ কোশ্চানে নেগেটিভ মার্কিং রয়েছে।এই পরীক্ষার বয়স একুশ থেকে ছত্রিশ করা হয়েছে। এই পরীক্ষায় নির্দিষ্ট বয়স অনুযায়ী ছাত্রছাত্রীরা যতবার খুশি বসতে পারবে।গ্রাজুয়েশনের কোন পার্সেন্টেজ দেখা হয়না। সর্বোপরি ইংরেজি মাধ্যমের বই পড়া অত্যন্ত জরুরী।”খেজুরির শুভেন্দু ক্যামিলা নামে এক ছাত্র বলে,ডবলিউবিসিএস পরীক্ষার ওয়ার্কশপে এসে খুবই ভালো লাগছে। এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত সচরাচর এই কর্মশালা শিবির হয় না। তবে জেলা প্রশাসনকে আমি সাধুবাদ জানাই।”চন্ডীপুর থেকে আগত ঋষিজা মাইতির কথায়,”ডবলিউবিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে জীবনের নির্দিষ্ট লক্ষে পৌঁছানো যাবে। আর সেইজন্য ওয়ার্কশপ অত্যন্ত জরুরী। তবে আগে সিলেবাস সম্পর্কে খুব একটা জানতাম নাম। এই শিবির থেকে আমার নানা বিষয় সম্পর্কে যথেষ্ট উপলব্ধি হল।” এছাড়া কর্মশালা শিবিরে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট তীর্থঙ্কর ঘোষ,ডিএমডিসি জয় আহমেদ,ডিএমডিসি শান্তনু শিং ঠাকুর প্রমুখ। কর্মশালা শিবিরে জেলার বিভিন্ন প্রান্তের সাড়ে তিনশো ছাত্রছাত্রী অংশগ্রহণ করে ।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment