অন্যান্য 

দূনীর্তিগ্রস্থ নেতাদের কোনোভাবেই আমল দেন না  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়  :  অধ্যাপক ওয়েজুল হক

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সদ্য প্রকাশিত হয়েছে শাসক তৃণমূল দলের ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচন পরিচালনার জন্য রাজ্য কোর কমিটির সদস্যদের নাম । সেই তালিকায় রাজ্যের তিনজন মুসলিম নেতা সুযোগ পেয়েছেন । এঁরা হলেন , সাংসদ নাদিমূল হক , বিধায়ক রুকবানুর রহমান এবং অধ্যাপক ওয়েজুল হক । ওয়েজুল হক বাঙালি মুসলিম সমাজের একমাত্র প্রতিনিধি ( ফিরহাদ হাকিম বাদে ) । তরুন –যুবক কলকাতার অভিজাত মহলে পরিচিত মুখ ওয়েজুল হককে রাজ্য কোর কমিটিতে ঠাঁই দেওয়ায় বাঙালি মুসলিম সমাজে খুশির হাওয়া । তৃণমূল নেতা এবং রাজ্য কোর কমিটির সদস্য পদে আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পাওয়ার পর বাংলার জনরবকে দীর্ঘ সাক্ষাৎকার দিয়েছেন ওয়েজুল হক ।  সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন সেখ ইবাদুল ইসলাম । দুটি কিস্তিতে তা প্রকাশ পাবে । আজ প্রথম কিস্তি ।

প্রশ্ন : আপনি বাঙালি মুসলিম সমাজের একমাত্র প্রতিনিধি ( ফিরহাদ হাকিম বাদে ) হিসাবে কোর কমিটিতে ঠাঁই পেয়েছেন কেমন লাগছে ?

ওয়েজুল হক :  ভাল লাগছে । রাজনীতিতে আমি এসেছি সমাজের মানুষের জন্য কিছু করতে । নিজের স্বার্থে রাজনীতি করতে আসিনি । আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে বেছে নেওয়ায় আমি অবশ্যই খুশি । কিন্ত দায়িত্ব আরও বেড়ে গেল বলে। তবে আমি বিশ্বাস করিনি বিশেষ কোনো সম্প্রদায়ের মানুষ বলে আমি কমিটিতে জায়গা পেয়েছি । মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে যোগ্য বলে মনে করেছেন বলেই কমিটিতে ঠাঁই দিয়েছেন । এর সঙ্গে সম্প্রদায়ের কোনো যোগ নেই ।

প্রশ্ন : আপনার কি মনে হয় না তৃণমূল দলের সবচেয়ে বড় সমস্যা দূনীর্তি ?

ওয়েজুল হক : দূনীর্তির বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি সরব আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । তৃণমূল একমাত্র দল যেখানে দলীয় কর্মীদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ এলে কড়া অবস্থান নেওয়া হয় । কাউকে রেয়াত করা হয় না । আমফান দূনীর্তিতে আপনারা দেখেছেন নেত্রীর কড়া অবস্থান । এটা অন্য কোনো দলে দেখা যায় না । খুব স্পষ্ট করে বললে , মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষের স্বার্থ বিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত নেননি ।

প্রশ্ন : আপনার চোখে রাজ্যের বড় সমস্যা কি দূনীর্তি নয় ?

ওয়েজুল হক : আবারও বলছি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমন একজন নেত্রী যিনি কোনোভাবেই দূনীর্তিকে প্রশয় দেন না । দূনীর্তি ইস্যুতে কাউকে রেয়াত করেন না । রাজ্যের এই মুহূর্তে মূল সমস্যা হল সাম্প্রদায়িক রাজনীতি । একটি রাজনৈতিক দল দেশের সঙ্গে সঙ্গে রাজ্যের সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের বাতাবরণ তৈরি করে চলেছে । এই সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে আমাদেরকে লড়াই করতে হবে । আর এই শক্তির বিরুদ্ধে লড়তে হলে সবাইকে একসঙ্গে  সংগ্রাম করতে হবে ।  হিন্দু-মুসলিম-খ্রিষ্টান –জৈন সবাই আমরা পাশাপাশি বাস করি , এই ভাইচারাকে নষ্ট করতে দেওয়া যাবে না । এখন আমাদের সামনে এটাই বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে । এর বিরুদ্ধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে আমাদেরকে লড়াইয়ের ময়দানে নামতে হবে । কারণ সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে একমাত্র মমতাই বিকল্প হতে পারে ।

( চলবে )


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment