কলকাতা 

মুখ্যমন্ত্রীর লাইভে ঝড় তুলল ২০১২ টেট উত্তীর্ণ প্রশিক্ষিত প্রার্থীরা

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিনিধি : গতকাল ২১ জুলাই তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে প্রতি বছরের মতো এবারও শহিদ দিবস পালন করা হয় । সেই শহিদ দিবসের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভাষণ দেন । তিনি নানা কথা বলেন , আগামী বছর বিধানসভা নির্বাচনে ক্ষমতায় এলে বিনামূল্যে রেশন , স্বাস্থ্য পরিষেবা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের জন্য নানা উন্নয়নমূলক কর্মসূচি ঘোষণা করেন । এই অনুষ্ঠানটি ফেসবুকে লাইভ সম্প্রচার করা হয় । ফেসবুকে লাইভ চলাকালীন সময়ে ২০১২ সালে টেট উত্তীর্ণ এসএসসির চাকরি প্রার্থীরা তাঁদের নিয়োগের দাবিতে সোচ্চার হয় । উল্লেখ্য,২০১২ সালের ২৯শে জুলাই স্কুল সার্ভিস কমিশনের টেট পরীক্ষায় অনুষ্ঠিত হয় ।টেট পরীক্ষার ফল ঘোষণা হয় ডিসেম্বর,২০১২ তে।দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর ২০১৫ সালে মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশে স্কুল সার্ভিস কমিশনের সফল টেট প্রার্থী দের সার্টিফিকেট প্রদান করে যার বৈধতা ছিল ২০১৮ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত।কিন্তু দীর্ঘ আট বছরে প্রচুর পরিমাণ ভ্যাকেন্সি থাকার সত্বেও সেই সমস্ত সফল প্রশিক্ষিত প্রার্থী দের কোনরকম ভাবে নিয়োগের ব্যাবস্থা করা হয়নি।তারা একাধিক বার শিক্ষামন্ত্রীর ও কমিশনের দারস্থ হলেও শুধু আশ্বাস টুকুই মিলেছে।কাজের কাজ কিছুই হয়নি।
তাই এবার তারা ২১শে জুলাই মুখ্যমন্ত্রীর লাইভে কমেন্টে তাদের বঞ্চনার কথা তুলে ধরেন।

এসএসসির আপার প্রাইমারি ২০১২ চাকরিপ্রার্থী মঞ্চের এক জন চাকরি প্রার্থী অনিরুদ্ধ জানা বলেন “এখন আমাদের অনেকেরই বয়স প্রায় শেষ।এমত অবস্থায় রাজ্যে করোনার লকডাউন এবং আমফান সাইক্লোনের প্রভাবে আমরা খুবই ক্ষতিগ্রস্ত। দীর্ঘ ৮ বছর ধরে আপার প্রাইমারিতে কোন নিয়োগ নেই । অসহায় পরিবার সহ আমরা আপার প্রাইমারি চাকরি পদপ্রার্থীরা দীর্ঘ দিন ধরে চরম বঞ্চনার শিকার ও হতাশা গ্ৰস্ত হয়ে পড়েছি এবং স্বেচ্ছা মৃত্যুর দিকে এগিয়ে চলেছি,
কমিশনের বিভিন্ন সমস্যার কারণে।”  তার আরোও বক্তব্য “২০১২ থেকে ২০২০ পর্যন্ত আপডেট ভ্যাকান্সি দিয়ে ২০১২ সালে উত্তীর্ণ ও সার্টিফিকেট প্রাপ্ত প্রশিক্ষিত চাকরিপ্রার্থীদের চাকরি সুনিশ্চিত করতে হবে”

তিনি আরও বলেন উপযুক্ত ব্যবস্থা না নিলে “আপার প্রাইমারি ২০১২ চাকরিপ্রার্থী মঞ্চ” ভবিষ্যতেও এই রকম কর্মসূচি পালন করবে।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment