অন্যান্য 

সিইএসসির একচেটিয়া আধিপত্য খর্ব করতে হবে / সেখ ইবাদুল ইসলাম

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সেখ ইবাদুল ইসলাম : সঞ্জীব গোয়েঙ্কা পরিচালিত বিদ্যুৎ সংস্থা কলকাতার মানুষকে শোষণ করে চলেছে । এর আগেও আমরা বলেছি , সিইএসসি-র বিল করার ক্ষেত্রে বিশেষ গলদ আছে । তাঁরা ইচ্ছামত বিল করে থাকে । তাদের সঙ্গে এক শ্রেণির অসাধু ব্যক্তিদের যোগসাজশ আছে । এরা গ্রাহকের মিটারের ট্যাপিং-র অভিযোগ পেলে বলে ওটা আমাদের কাজ নয় । গ্রাহকের কাছ থেকে প্রতি মাসে হাজার হাজার টাকা আয় করব , অথচ গ্রাহকের দায়িত্ব নেব না এই হল  গোয়েঙ্কাদের পরিচালিত সিইএসসি ।

তাই মাননীয়া মানবিক মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমাদের আবেদন এই যে , সিইএসসিকে মাথায় চড়াবেন না । এরা বঙ্গভূষণ নয় , এরা আসলে মানুষের শোষক । সুতরাং রাজ্যের মানুষকে সঠিক ভাবে পরিষেবা দিতে হলে এখনই সিইএসসিকে গলাধাক্কা দিয়ে বিদায় জানাতে হবে । সিইএসসির নামক  তথা কথিত নীলকররা কলকাতার মানুষকে সবদিকে দিয়ে সর্বশান্ত করে চলেছে । তাই মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমার আবেদন অবিলম্বে সিইএসসি-র  বিকল্প হিসাবে সরকারি বিদ্যুৎ পরিষেবা কলকাতায় চালু করা হোক । প্রতিযোগিতার মধ্যে সিইএসসিকে ফেলতে পারলে তবে কলকাতার মানুষ ইনসাফ পাবে । না হলে আজ যা হয়েছে প্রতিবাদের ফলে তা স্থগিত হলেও পুনরায় সিইএসসি গ্রাহকদের কাছ থেকে সুদ সমেত আদায় করে নেবে ।

তাই শুধু বিল সংশোধনের মধ্যে দিয়েই সিইএসসির অপরাধ শেষ হয়ে যায়নি । শোষক সিইএসসি-র কাছে কলকাতা ও শহরতলির সাধারন মানুষ কোনো সময়েই ইনসাফ পায়নি । তাই মানবিক মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমাদের আবেদন অবিলম্বে কলকাতায় প্রিপেড মিটার চালু করা হোক । প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে মিটার ট্যাপিং বন্ধ করা হোক । সিইএসসি যদি এটা করতে রাজি না হয় তাহলে আগামী দিনে সিইএসসি-র বিকল্প কোনো বিদ্যুৎ সংস্থাকে কলকাতা ও শহরতলিতে বিদ্যুৎ সরবরাহের দায়িত্ব দেওয়া হোক ।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment