দেশ 

রক্তে করোনা সংক্রমণ হয়েছে কিনা তা দ্রুত পরীক্ষার করার প্রস্তাব দিল আইসিএমআর

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : আমাদের দেশে করোনা টেস্ট করার মত উপযুক্ত কিটসের অভাব রয়েছে । সেই জন্য টেস্ট দেরি হচ্ছে । এর ফলে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে । তাই দ্রুত করোনা পরীক্ষার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র । সম্প্রতি আইসিএমআর  কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের কাছে এক প্রস্তাব পাঠিয়েছে। সেই প্রস্তাবে জরুরি ভিত্তিতে সংক্রমণের খোঁজ পেতে ফাস্ট-ট্র্যাক কিটের  ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেই সুপারিশ গৃহীত হলে আঁতুড়ঘরের সংক্রমণের সঠিক মাত্রা নির্ণয় করা সম্ভব হবে। এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের।

জানা গিয়েছে, প্রায় ৫ লাখ এই ফাস্ট-ট্র্যাক অ্যান্টিবডি টেস্ট কিট রফতানি করেছে ভারত। রক্তের নমুনা পরীক্ষার মতোই এই অ্যান্টিবডি নমুনা টেস্ট। ১৫ মিনিট থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যে চলে আসে রিপোর্ট। কয়েক ফোঁটা রক্ত পরীক্ষা করে দেখা যায়, সেই রক্তে করোনা ভাইরাসের অ্যান্টিবডি আছে কিনা। সেই মোতাবেক কোন রোগী সংক্রমিত আর কে বিপদমুক্ত; সহজেই অনুমান করা যায়।

হোম কোয়ারান্টাইনের পরামর্শ দেওয়া হয়। আর পজিটিভ এলে পরবর্তী পরীক্ষা হিসেবে তাঁর গলা ও নাকের কোষের নমুনা পাঠান হয় পরীক্ষাগারে। এই রিপোর্ট আসতে ৫-৬ ঘণ্টা সময় লাগে। সরকারের জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা টাস্ক ফোর্স এই সুপারিশের ভাগ্য নির্ধারণ করবে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার মধ্যেই হয়ে যেতে পারে সিদ্ধান্ত। এমনটাই দাবি স্বাস্থ্য মন্ত্রকের।

এদিকে, দেশে ক্রমেই বাড়ছে করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক। এই পরিস্থিতিতে বুধবার চিন  জানাল, তারা করোনা আক্রান্তদের জন্য ভেন্টিলেটর  প্রস্তুত করতে ভারতে সাহায্য করতে পারে। কিন্তু তার জন্য সংস্থাগুলির প্রয়োজন জরুরি পার্টস। না হলে উৎপাদনে প্রভাব পড়বে।

চিনের এক ভেন্টিলেটর নির্মাতা জানাচ্ছে, এই মুহূর্তে ভেন্টিলেটর বানানো খুব সহজ কাজ নয়। কেননা এর জন্য জরুরি পার্টস চাই। চিনের সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, ভারত চিন সহ অন্য দেশের কাছে মেডিক্যাল সামগ্রী উৎপাদনের ব্যাপারে সাহায্য চেয়েছে। এবছরের জানুয়ারিতে করোনা ভাইরাসের বাড়তে থাকা প্রকোপের দিকে লক্ষ রেখে ভারত চিনের সঙ্গে মেডিক্যাল সামগ্রী লেনদেনের উপরে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। পরে ফেব্রুয়ারিতে ভারত থেকে ১৫ টন মেডিক্যাল সামগ্রী চিনে পাঠানো হয়।

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment