দেশ 

কাফিল খানের আবেদনে সাড়া দিয়ে জাতির স্বার্থে তাঁকে মুক্তি দেবেন কী প্রধানমন্ত্রী ?

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : অনুরাগ ঠাকুর দেশের বিত্ত প্রতিমন্ত্রী , কপিল মিশ্রা একজন বিজেপির প্রাক্তন বিধায়ক । তারা করুচিকর মন্তব্য করেও সমানে ঘুরে বেড়াচ্ছে । দেশের সেবা করার মানসিকতা নিয়ে কাজ শুরু করেছিলেন । নিজে অক্সিজেন সিলিন্ডার কাঁধে নিয়ে শিশুদের বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন । কিন্ত যোগী প্রশাসন তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে জেলে পাঠায় । কাফিল খাঁন ভারতের চিকিৎসা জগতে প্রখ্যাত ব্যক্তি । শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ হিসাবে পরিচিতি তিনি । কিন্ত যোগী প্রশাসনের কুনজরে পড়ে বেশ কয়েক মাস তারা কারাগারে থাকতে হয় । পরে বেকসুর খালাস পেয়ে বেরিয়ে আসেন । কিন্ত কয়েক সপ্তাহ যেতে না যেতেই আবার শাহিনবাগ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সিএএ আইনের বিরোধিতা করে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষণ দেওয়ার জন্য তাঁকে যোগী প্রশাসন গ্রেফতার করে জাতীয় সুরক্ষা আইনে জেলবন্দী করে রেখেছেন ।

অবাক ! সারা ভারত কফিল খানের বন্দী হওয়া নিয়ে নিরব রয়েছেন । কিন্ত কাফিল খান এখন উদ্বেগের মধ্যে আছেন । ভারতে করোনা ভাইরাস থাবা বসিয়েছে । এই অবস্থায় তিনি একজন চিকিৎসক হিসাবে সাধারন মানুষের সেবা করতে চান । তাই জেল থেকে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হোক । প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি পাঠিয়ে এই আবেদন করেছেন জেলবন্দী কাফিল খান । প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখে অনুরোধ জানিয়েছেন, তাঁকে ছাড়া হলে তিনি কোভিড-১৯-এৱ বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যোগ দিয়ে দেশের সেবা করতে পারেন। বর্তমানে মথুরা জেলে বন্দি রয়েছেন কাফিল খান। তাঁর বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা আইনে অভিযোগ আনা হয় গত ফেব্রুয়ারিতে।

জেলবন্দি শিশু চিকিৎসক দু’পাতার একটা চিঠি লিখেছেন প্রধানমন্ত্রীকে। সেখানে তিনি করোনার স্টেজ-৩-এর রোড ম্যাপ সম্পর্কেও লেখেন।

টুইটারে চিঠিটি শেয়ার করেন তিনি। চিঠিতে তিনি জানিয়েছেন, ‘‘আমাদের পরীক্ষা করার শক্তি বাড়াতে হবে (প্রতি জেলায় একটি)। বাড়াতে হবে আইসোলেশন ওয়ার্ড (প্রতি জেলায় ১০০০), ন‌তুন আইসিইউ।” পাশাপাশি চিকিৎসক/ প্যারামেডিকদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ, অবৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা ও গুজবের প্রতিকারের ব্যবস্থাও করতে হবে লেখেন তিনি।

গত মাসে মুম্বই থেকে গ্রেফতার করা হয় কাফিল খানকে। উত্তরপ্রদেশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স তাঁকে গ্রেফতার করে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯-এ সিএএ বিরোধী মন্তব্য করার জন্য। ১৪ ফেব্রুয়ারি তাঁর বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা আইনে মামলা রুজু করা হয়।

কাফিল খানকে কী মুক্তি দেবেন প্রধানমন্ত্রী ? জাতির সামনে মহাবিপদ । বিপদের নাম করোনা । সেই করোনাভাইরাসে মোকাবিলা করার জন্য একজন চিকিৎসক জাতির সেবায় নিয়োজিত হতে চান , মোদী পারবেন রাজনীতির উর্ধ্বে ওঠে কাফিল খানকে মুক্তি দিতে । তিনি বলেছেন , সব কা সাথ, সব কা বিকাশ , সব কা বিশওয়াস । দেশের সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর বিশ্বাস অর্জনের এর চেয়ে ভাল সুযোগ আর পাওয়া যাবে না মোদীজি ।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment