দেশ 

কংগ্রেসের দাবি মেনে তিন মাসের ইএমআই স্থগিত করল আরবিআই

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : গতকালই দেশের সাধারন মানুষ যারা ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়েছেন তাদের ঋণ পরিশোধের মাসিক কিস্তি তিন মাস বন্ধ রাখার জন্য কেন্দ্র সরকার অনুরোধ করেছিলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী । সোনিয়া গান্ধী বলেছিলেন করোনা পরিস্থিতিতে সারা দেশজুড়ে লকডাউন কর্মসূচি চলছে এই অবস্থায় অনেকেই কাজ হারিয়েছে তাদের দিক বিবেচনা করে সরকারের উচিত অবিলম্বে ব্যাঙ্ক থেকে যারা ঋণ নিয়েছে তাদের মাসিক কিস্তি তিন মাসের জন্য স্থগিত করা । মূলত কংগ্রেস সভানেত্রীর দাবিকে মেনে নিয়ে আজ শুক্রবার ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক-এর গর্ভনর শক্তিকান্ত দাস জানিয়েছেন ,সব বাণিজ্যিক ব্যাংক (গ্রামীণ ব্যাংক, এইচবি সহ) কো অপারেটিভ ব্যাংক, সর্বভারতীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং এনবিএফসি ( হাউসিং ফিনান্স কোম্পানি এবং মাইক্রো ফিনান্স সংস্থাসহ) কে অনুমতি দেওয়া হচ্ছে ২০২০ সালের১ মার্চ থেকে বকেয়া বিভিন্ন ধরনের ঋণের অর্থ পরিশোধের ক্ষেত্রে মাসিক কিস্তিতে আগামী তিন মাসের মোরাটোরিয়াম।

এর ফলে ঋণের টাকা শোধ করার ক্ষেত্রে নির্দেশিত সময়কে আগামী তিন মাসের জন্য স্থগিত করে ‘রি-সিডিউল’ করা হবে। ‌

আশা করা হচ্ছে সমস্ত ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান এই নির্দেশ মতো ঋণ পরিশোধের ব্যাপারে মোরাটরিয়াম-এর ব্যবস্থা করবে। এই মোরাটোরিয়াম এর ফলে ব্যক্তিগত বিভিন্ন ধরনের ঋণের মাসিক কিস্তি পেমেন্ট করার জন্য ব্যাংক বা সমগোত্রীয় প্রতিষ্ঠান টাকা কাটবে না আগামী তিন মাস। এই মোরাটোরিয়ামের সময়কাল অতিক্রান্ত হলে তারপরেই আবার ওই দিনের জন্য ইএমআই বাবদ টাকা কাটা শুরু হবে।

দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস জানিয়েছেন, এই মোরাটোরিয়াম বা স্থগিতের ব্যবস্থা করা হলো বিশেষত সেইসব ঋণগ্রহীতার কথা মাথায় রেখে যারা করোনো ভাইরাস মহামারী কারণে আর্থিক সংকটে পড়েছেন।

এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো যাতে ওইসব আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলি এই ধরনের ঋণগুলিকে খারাপ সম্পদ হিসেবে শ্রেণীবিভাগে না ফেলে। এইজন্য ওইসব ঋণদাতা সংস্থাগুলি যেন তাদের পর্ষদে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে নেয়।‌ এই পদক্ষেপের অর্থ যদি কোন ঋণগ্রহীতা এই মোরাটোরিয়ামের সুবিধা গ্রহণ করে তাহলে ওই ঋণ গ্রহীতার ক্রেডিট রেটিং নিচে নামবে না অথবা ওই ঋণ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ধরা হবে না।

অন্যদিকে রিভার্স রেপো রেট ৯০ বেসিস পয়েন্ট‌ কমিয়ে করা হয়েছে ৪ শতাংশ।প্রসঙ্গত, এক বেসিস পয়েন্টের মানে হলো শতাংশের একশো ভাগের এক ভাগ।‌ রেপো রেট হল যে হারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলিকে ঋণ দেয়। রিভার্স রেপো রেট হলো ঠিক তার উল্টো।

রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস জানিয়েছেন, এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কারণ যাতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলি রিজার্ভ ব্যাংকের কাছে টাকা জমা রাখার বদলে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঋণ দিতে পারে।

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment