কলকাতা 

প্রভাবশালী হলেও বিদেশ থেকে এসে পরীক্ষা না করালে কড়া ব্যবস্থার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : রবিবার ব্রিটেন থেকে কলকাতা ফেরেন রাজ্যের এক আমলার ছেলে, তারপরেই শহরের একটি শপিং মলে যান তিনি এবং করোনা ভাইরাস  পজিটিভ আক্রান্ত হওয়া অবস্থায় অনেকজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বলে মনে করা হচ্ছে, তিনিই প্রথম রাজ্যের করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি। বুধবার তাঁর বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় , এবং “দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ” বলে মন্তব্য  করলেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আপনি নিজেকে ভিআইপি দাবি করে কোভিড ১৯  পরীক্ষা এড়াতে পারেন না”। তিনি বলেন, “যিনি আসছেন তাঁকেই স্বাগত। তবে দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমি রোগকে স্বাগত জানাচ্ছি না। আপনি হঠাৎ করে বিদেশ থেকে ফিরে পরীক্ষা না করিয়েই শপিং মেলে যেতে পারেন না এবং আরও ৫০০ মানুষ আক্রান্ত হবেন…যেহেতু  আমার পরিবারের কেউ প্রভাবশালী সেই জন্য আমি পরীক্ষা করাবো না…আমি এটাকে সমর্থন করি না”।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়, এবং সেই ছাত্রের শরীরে করোনা ভাইরাস পজিটিভ পাওয়ার খবর প্রকাশ হতেই, বাড়িতে থেকে গিয়েছেন স্বরাষ্ট্রসচিব, এবং ছাত্রের পুরো পরিবারকে কোয়ারান্টাইন করা হয়েছে।

রবিবার বিলেত থেকে ফেরেন সেখানকার একটি নামজাদা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই পড়ুয়া, বিমানবন্দরে যখন তিনি নামেন, সেই সময় তাঁর পরীক্ষায় কোনও সংক্রমণ পাওয়া যায়নি। চালকের সঙ্গে তাঁকে বাড়ি পাঠানো হয়।

সোমবার হাসপাতালে যান তিনি এবং তাঁর পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়, তখন তিনি বাড়ি ফিরে আসেন, এবং পরিবারের সঙ্গে পুরো দিন কাটান.। মঙ্গলবার সকালে হাসপাতালে যাওয়ার আগে  একটিশপিং মলেও যান বিলেত ফেরৎ ওই ছাত্র। তাঁর সঙ্গে হাসপাতালে যান ছাত্রের মা, এবং পরে অফিসে দেখা যায় তাঁকে।

বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে ভর্তি হন ওই ছাত্র, সেখানে তাঁর পরীক্ষায় পজিটিভ পাওয়া যায়।তাঁকে আইসোলেশন কেবিনে রাখা হয়েছে এবং চিকিৎসা চলছে, তাঁর বর্তমান অবস্থা স্থিতিশীল।ব্রিটেনের এক বন্ধু তাঁকে ফোনে জানান, যে তিনজনের সঙ্গে পার্টিতে গিয়েছিলেন, তাঁদের শরীরে করোনা ভাইরাস পজিটিভ পাওয়া গিয়েছে, সেই কথা শুনে হাসপাতালে যান বিলেত ফেরৎ ওই ছাত্র। বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে বর্তমানে ভর্তি ১৮ জন, সেই তালিকায় রয়েছেন ওই ছাত্রও।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment