দেশ 

বকেয়া ইস্যুতে টেলিকম সংস্থাগুলি ও কেন্দ্রকে তীব্র ভৎর্সনা শীর্ষ আদালতের

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : সরকারি টেলি সংস্থা নয় , বেসরকারি টেলি সংস্থাগুলিকে বকেয়া মেটানোর জন্য ২০ বছর সময় দেওয়ার আবেদন সুপ্রিম কোর্টে করেছে কেন্দ্র। আর কেন্দ্রের েএই ধরনের উদ্ভট সওয়ালে বিরক্ত সুপ্রিম কোর্ট। আর এতেই শীর্ষ আদালতের মন্তব্য “আদেশের অবজ্ঞা করা হয়েছে”। এর আগে টেলি-সংস্থাগুলিকে  তাদের বকেয়া পরিশোধের জন্যে সময় বেঁধে দিয়েছিল শীর্ষ আদালত । সেই রায়েরই পুনর্বিবেচনার জন্যে সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন করে কেন্দ্র। টেলিকম সংস্থাগুলির অ্যাডজাস্টেড গ্রস রেভিনিউ (এজিআর) এর বকেয়া অর্থের পরিমান বিপুল হয়েছে, অথচ তা পরিশোধ করেনি টেলি সংস্থাগুলি, কেন এ বিষয়ে সরকারের ) তরফ থেকেও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না, এই প্রশ্ন তুলেই কেন্দ্রকে তিরস্কার করে আদালত। বিচারপতিরা এই ঘটনাকে “আদালতের আদেশকে উপেক্ষা করা হচ্ছে”, এই হিসাবেই দেখছেন।

পাশাপাশি টেলি যোগাযোগ সংস্থাগুলিকে তিরস্কার করে আদালত। “সংস্থাগুলি কি নিজেদের পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে ক্ষমতাশালী বলে মনে করে?”, এই প্রশ্ন করেন সুপ্রিম কোর্টের ক্ষুব্ধ বিচারপতিরা।

টেলিকম পরিষেবা সরবরাহকারীদের বকেয়া পরিশোধের জন্যে আগামী ২০ বছর বা তারও কিছু বেশি সময় দেওয়া হোক অথবা বাকি এজিআর কিস্তির মাধ্যমে পরিশোধ করার অনুমতি দেওয়া হোক, এই আবেদন করে শীর্ষ আদালতে যায় কেন্দ্র। সেই সওয়ালের পরিপ্রেক্ষিতেই কেন্দ্র এবং টেলি সংস্থাগুলো, দুই পক্ষকেই বুধবার ভর্ৎসনা করল দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

 

কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে করা নতুন ওই আবেদনে একথাও বলা হয়েছে যে টেলিকম পরিষেবা প্রদানকারীদের মধ্যে যারা বকেয়া পরিশোধের ব্যাপারে দায়বদ্ধ ছিল তারা ইতিমধ্যেই টাকা মেটানো শুরু করেছে এবং বকেয়া অর্থের বেশ কিছুটা অংশের টাকা ইতিমধ্যে আদায়ও করা হয়েছে।

“কেন্দ্র এই বিষয়ে কড়া কোনও পদক্ষেপ নিলে যে টেলিযোগাযোগ পরিষেবা সরবরাহকারীদের পরিষেবায় প্রভাব ফেলবে এবং এর ফলে যে কেবল দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেই বিরূপ প্রভাব ফেলবে তা নয়, সারা দেশের গ্রাহকদের স্বার্থও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে”, কেন্দ্রের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী।

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment