প্রচ্ছদ 

নন্দীগ্রামের ১৪ মার্চের গণহত্যার দোষীদের শাস্তি দাবিতে সরব শুভেন্দু অধিকারী

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : ১৪ মার্চ নন্দীগ্রামের ঘটনার ১৩ বছর। নন্দীগ্রামে নিহতদের স্মৃতির উদ্দেশে প্রতি বছরের মতো এবারও ‘শহিদ দিবস’ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। ওই অনুষ্ঠানেই সম্মানিত করা হয় কৃষকদেরও। শনিবার সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন মন্ত্রী তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এদিন আবারও ‘গণহত্যা’-য় দোষীদের কড়া শাস্তির দবিতে সরব হলেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন নন্দীগ্রামে ‘শহিদ দিবস’-এর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘গণহত্যার ঘটনায় দোষীদের শাস্তি চাই। শিখ দাঙ্গা, ভাগলপুর দাঙ্গার বহু বছর পর দোষীদের শাস্তি হলে, নন্দীগ্রামে যারা খুন, ধর্ষণ, অত্যাচার চালিয়েছে তারা কেন ঘুরে বেড়াবে?’

‘শহিদ’দের শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি এদিন ‘কৃষক দিবস’-এর আয়োজন করা হয়। কৃষকদের হাতে চেক তুলে দেন মন্ত্রী তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামের ঘটনায় বহু দোষী এখনও ঘুরে বেড়াচ্ছে বলে দাবি শুভেন্দুর। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সেদিন যারা গুলি চালিয়েছিল, তাদেরও এখনও অনেকে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ৪৫ জন মহিলাকে ধর্ষণ করা হয়। দোষীদের কড়া শাস্তির দাবি জানাচ্ছি’।

এরই পাশাপাশি সিপিএম ও বিজেপিকেও একযোগে নিশানা করেন শুভেন্দু। তাঁকে জড়িয়ে দুই দলই কুৎসা রটাচ্ছে বলে অভিযোগ শুভেন্দু অধিকারীর। এই প্রসঙ্গে তাঁর দাবি, ‘দুর্গাচকে আফতাব নামে একজনের বিয়েতে গিয়েছিলাম। সেই বিয়ের অনুষ্ঠানে তাঁর ভাই আমার পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তুলেছিলেন। যে এখন খুন করে গ্রেফতার হয়েছে। অথচ সেই পারিবারিক অনুষ্ঠানের ছবি দিয়েই পোস্টার বানিয়ে এখন কুৎসা করতে নেমেছে সিপিএম ও বিজেপি।’

শুভেন্দু অধিকারী আরও জানান, নন্দীগ্রামের ১৩২ ফুটের ‘শহিদ মিনার’ স্বাধীনতার পর তৈরি সবচেয়ে বড় মিনার। এখানে ৭ জানুয়ারি ও ১৪ মার্চ ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির কর্মসূচি থাকে। বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, সংবেদনশীল মানুষরা মিলিত হয়ে ২০০৬ সালে ডিসেম্বরের শেষে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি তৈরি করেন। পরবর্তী সময়ে ওই কমিটিই জমি বাঁচানোর দাবিতে আন্দোলন করে।

 

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment