দেশ 

নীতি-আয়োগের মঞ্চকে রাজ্যগুলির দাবি আদায়ের প্লাটফর্মে পরিণত করলেন একক মমতা

শেয়ার করুন
  • 19
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বিশেষ প্রতিনিধি : নীতি আয়োগের চতুর্থ বৈঠকে প্রথম হাজির হয়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সকলের নজর কেড়ে নিলেন। দেশ-বিদেশের সমস্ত মিডিয়ার কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ হয়ে উঠলেন খবরের প্রধান মুখ। মোদী নয়,বরং মমতাকে দেখেই মনে হচ্ছিল তিনিই দেশের প্রকৃত চালিকা। নীতি আয়োগের বৈঠকে তিনি প্রথম থেকেই বিজেপি বিরোধী মুখ্যমন্ত্রীদের এককাট্টা করে এই রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারক প্লাটফর্মকে রাজ্যগুলির দাবি আদায়ের মঞ্চে পরিণত করলেন একক মমতা। অন্ধপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু বক্তব্য রাখতে গিয়ে অর্থ কমিশনের সুপারিশের সমালোচনা করে বুঝিয়ে দেন মোদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নীতি আয়োগের বৈঠকে রাজ্যগুলি সরব হবেই। এই সমালোচনার রেশ ধরেই পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তীব্র ভাষায় অর্থ কমিশনের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন,আমাদের রাজ্য ঋণের ভারে জর্জরিত তাহলে আমরা কেন আলাদ করে সাহায্য পাব না। এ বছর আমরা ৪৬ হাজার কোটি টাকা কেন্দ্রকে ঋণের  সুদ হিসেবে দিয়েছি। এর ফলে রাজ্যে উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে। আবার এখন অর্থ কমিশন বলছে,২০১১-র জনসংখ্যার অনুপাতে কেন্দ্র সাহায্য দেবে। এতে জনবহুল রাজ্যগুলি বেশি সাহায্য পাবে ঠিকই , কিন্ত যে রাজ্যগুলির বেশি ঋন রয়েছে তারা আরও বেশি সংকটে পড়বে। যদি দেশের প্রকৃত উন্নয়ন করতে হয় তাহলে অর্থ কমিশনের এই সুপারিশের পরিবর্তে রাজগুলির আর্থ-সামাজিক দিক বিচার করে স্পেশাল ক্যাটাগরী স্ট্যাটাসের উপর গুরুত্ব দিয়ে কেন্দ্রকে সাহায্য করা উচিত বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেন।

আক্ষরিক অর্থে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর প্রথম নীতি-আয়োগ বৈঠকে দেশের উন্নয়নের যে পথ তিনি নরেন্দ্র মোদীকে দেখিয়ে দিলেন তা যে আগামী দিনে সব কেন্দ্র সরকারকে অনুসরণ করতে হবে বলে ওয়াকিবহাল মহল মনে করছেন।


শেয়ার করুন
  • 19
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment