কলকাতা 

আকস্মিক না ফেরার দেশে চলে গেলেন সমাজসেবী মুহাম্মদ ইসমাইল

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বিশেষ প্রতিবেদক : চলে গেলেন সমাজসেবী মুহাম্মদ ইসমাইল (৫৭)। পূর্ব কলকাতা থেকে শুরু করে মধ্য কলকাতা এবং উত্তর কলকাতার মুসলিম এলাকার সাধারণ মানুষ এক ডাকে চিনতেন মুহাম্মদ ইসমাইলকে । সমাজের মেহনতি , সাধারন মানুষের প্রতি অমোঘ ভালবাসা তাঁর ছিল । তিনি একটা সময় বামপন্থী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন । সেই সঙ্গে তপশিয়া এলাকার নানা উন্নয়নমূলক কর্মসূচির সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন । যেকোনো অনুষ্ঠানে তাঁকে ডাকলেই তিনি চলে আসতেন । পর্দার অন্তরালে থেকে সাহায্য করতেন । বাংলার জনরবও তাঁর কাছে ঋণী ।

ঘটনার বিবরণে জানা যাচ্ছে ,পূর্ব কলকাতার তিলজলার কুষ্টিয়া মসজিদ বাড়ি লেনের বাসিন্দা , তিলজলা লাইব্রেরির প্রাক্তন সম্পাদক ও বিশিষ্ট সমাজসেবী মুহাম্মদ ইসমাইল(৫৭)সুন্দরবন থেকে ফেরার পথে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে আকস্মিক মারা গেছেন (ইন্নালি—রাজেউন)। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার। তাঁর এই অকাল মৃত্যুতে এলাকার মানুষ গভীরভাবে শোকাহত হয়ে পড়েছে । তিলজলা এলাকায় অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন। বিশেষ করে তিলজলা লাইব্রেরির সংস্কার ও পুণর্গঠনে তার ভূমিকাকে কখনোই অস্বীকার করা যায় না। একজন দক্ষ সংগঠক ছিলেন। প্রতি বছর তিলজলার তপসিয়া ফেডারেশন ক্লাব ও ফুটবল ময়দানে সারা ভারত মুশাইরা করার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তার এই অকাল প্রয়াণে স্হানীয় বিধায়ক জাভেদ আহমেদ খান , কাউন্সিলার ফৈয়াজ খান, তিলজলা লাইব্রেরির বর্তমান সম্পাদক সেখ আনোয়ার আলী গভীর শোক প্রকাশ করেন। বিশিষ্ট লেখক মুহাম্মদ সাদউদ্দিন গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, তাঁর সঙ্গে আমার সম্পর্ক আজ বিশ বছরের। কলকাতার পার্কসার্কাস ময়দানে শাহিনবাগে অনেকক্ষণ কথা হয়েছে। এই ভাবে তিনি আমাদের ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে যাবেন তা ভাবতেই পারছিনা। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি।
সোমবার বাদ জোহর তার জানাজা হয় এবং দু নম্বর গোবরা কবরস্থানে তাকে সমাধিস্থ করা হয়। এদিন চোখের জলে মানুষ তাকে শেষ বিদায় জানান।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment