কলকাতা 

কর্পোরেশন অফিসেই বাম কাউন্সিলার যোগ দিলেন তৃণমূলে ; প্রশাসনিক ভবনে কেন দলবদল ? প্রশ্ন বিরোধীদের

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : কলকাতা পুরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে । এরই মাঝে দলবদল চালু হয়ে গেল । আজ শনিবার কলকাতা কর্পোরেশনের সদর দফতরে মেয়রের অফিসে পাশের ঘরেই এই দলবদল প্রক্রিয়া হয় । কলকাতা কর্পোরেশনের ৪১ নং ওয়ার্ডের বামফ্রন্ট সমর্থিত বাংলা কংগ্রেসের কাউন্সিলার রীতা চৌধুরি দলবদল করে তৃণমূল কংগ্রেসের যোগ দেন । এই যোগদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় , বিধায়ক স্মিতা বকসি ও মেয়র পারিষদ দেবাশিষ কুমার সহ তৃণমূলের বেশ কয়েক জন নেতা । আর এ নিয়েই শুরু হয়েছে বির্তক । খোদ প্রশাসনিক ভবনে কেন দলীয় সভা কিংবা দলবদল অনুষ্ঠান করা হল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ।

পুরসভার বিরোধী দলনেত্রী রত্না রায় মজুমদার বলেন, ‘‘প্রশাসনিক ভবনে, খোদ মেয়রের ঘরে বসে দলবদলের কাজ করা হল। পুরসভা তো কোনও দলের কার্যালয় নয়। ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানের সম্মানহানি করেছে তৃণমূল। এটা ঠিক হয়নি। কেউ এক দল থেকে অন্য দলে যেতেই পারেন। কিন্তু, সেই দলবদল মেয়রের ঘরে বসে হবে কেন? আমরা এর তীব্র বিরোধিতা করছি।’’

এর মধ্যে যদিও বিতর্কের কিছু দেখছেন না মেয়র ফিরহাদ হাকিম। এ দিন তিনি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমার টেবিলে হয়নি। ঘরের ভিতরে একটা পাশে হয়েছে। এ নিয়ে বিতর্কের কিছু নেই।’’

কিন্তু, বিরোধীরা মেয়রের এই যুক্তি মানতে নারাজ। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী যেমন বলছেন, ‘‘এ রাজ্যে তো আইনকানুন কিছু নেই। নবান্নে বসে তৃণমূলের প্রোগ্রাম ঘোষণা করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক বৈঠকের নামে দলীয় বৈঠক করেন। মেয়র তাঁর ঘরের ভিতর তৃণমূলের পতাকা জড়ো করে রেখেছেন। যাঁকে যখন মনে হচ্ছে, তৃণমূলের পতাকা দিয়ে দিচ্ছেন। অথবা কারও পতাকা কেড়ে নিচ্ছেন। বেনিয়মের নিয়ম চলছে রাজ্যে। এটা বেআইনি কাজ।’’

কংগ্রেসও ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে। কংগ্রেস কাউন্সিলর প্রকাশ উপাধ্যায় বলছেন, ‘‘মেয়র হবে রাজনীতির ঊর্ধ্বে। পুরসভায় সেই মেয়রের ঘরে কোনও রাজনৈতিক কাজকর্ম হবে কেন? মেয়রের ঘরের ভিতর এমন কাজটা মোটেও ঠিক হয়নি। খুবই বাজে হয়েছে। মেয়রের তো রাজনৈতিক দল আছে। দলের অফিসে গিয়ে এ সব করুন। কারও কোনও আপত্তি থাকবে না তাতে।’’

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment