কলকাতা 

মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন মামলার রায় পুনর্বিবেচনার জন্য জনস্বার্থ মামলায় কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বক্তব্য জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : গত সোমবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা আদালতে জানিয়েছিলেন গত ৬ জানুয়ারি মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের মামলায় রায়ে কমিশনকে আইনসিদ্ধ এবং সাংবিধানিক বৈধ বলে যে রায় দেওয়া হয়েছিল তার পুনর্বিচেনরা আর্জি গ্রহণ করা যেতে পারে । কারণ , সংখ্যালঘু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির পরিচালনার দায়িত্ব সংখ্যালঘুদের হাতেই থাকবে বলে সংবিধানে স্পষ্ট বলা হয়েছে । তাই মামলা গ্রহণ করে সুপ্রিম কোর্ট । একইসঙ্গে শুক্রবার ৬ মার্চ মামলার পরবর্তী শুনানী ধার্য হয় । উল্লেখ্য ৬ জানুয়ারি-র রায়ের বিরুদ্ধে দেশের শীর্ষ আদালতে জনস্বার্থে মামলা দায়ের করেন বিশিষ্ট আইনজীবী আবু সোহেল । সেই জনস্বার্থ মামলার শুনানী হয় শুক্রবার।

এদিন সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি উদয় উমেশ ললিতের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে পুনর্বিবেচনার আর্জি নিয়ে জনস্বার্থ মামলার শুনানী হয় । পিটিশনার আইনজীবী আবু সোহেলের পক্ষে এদিন আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী রাজীব ধাওয়ান ও আইনজীবী অতরূপ ব্যানার্জি । তাঁদের বক্তব্য শোনার পর , বিচারপতি উদয় উমেশ ললিত ও বিচারপতি বিনীত সোরেনের বেঞ্চ এই মামলার পুনর্বিবেচনার আবেদন গ্রহণ করেন । একইসঙ্গে রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারের সংখ্যালঘু মন্ত্রক ও আইনমন্ত্রকের কাছে বক্তব্য জানতে চেয়েছে আদালত । তিন সপ্তাহের মধ্যে রাজ্য ও কেন্দ্র সরকার তাদের মতামত জানাবে । তারপরেই আবেদনকারীর বক্তব্যও হলফনামা আকারে দিতে হবে । এরপরেই শীর্ষ আদালত মামলার রায়ের পুনর্বিবেচনা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে । আগামী ২১ এপ্রিল পরবর্তী শুনানী ।

উল্লেখ্য , গত ৬ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অরুণ মিশ্র ও বিচারপতি উদয় উমেশ ললিতের বেঞ্চ এক রায়ে বলেন , মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন সাংবিধানিকভাবে বৈধ । এই রায় ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কলকাতার চন্দনা দাসের মামলা তিন বেঞ্চের রায়ের বিরুদ্ধে চলে গেছে । এমনকি ১১ বেঞ্চে সাংবিধানিক আদালতেরও রায়ের সঙ্গে এই রায় মিলছে না বলে আবেদনকারী আবু সোহেলের দাবি । এই আবেদনের প্রেক্ষিতেই আদালত আজ রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারের মতামত হলফনামা দিয়ে জানাতে বলেছে।  মজার ব্যাপার হল আজ কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে মামলার পুনর্বিবেচনার জন্য বিচারপতি উদয় উমেশ ললিত নোটিশ পাঠিয়েছে , এই বিচারপতি ও বিচারপতি অরুণ মিশ্রের বেঞ্চ ৬ জানুয়ারি এই রায় দিয়েছিলেন ।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment