জেলা 

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই কল্যাণী পুরসভার ফর্মে ‘নাগরিকত্বের প্রমাণ’ বাদ যাচ্ছে

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক :  জন্ম-শংসাপত্র দেওয়ার সময় নাগরিকত্ব প্রমাণ চাওয়ার খবর কলকাতা থেকে প্রকাশিত এক ডিজিটাল সংবাদপত্রে প্রকাশিত হওয়ার পরেই রাজ্য জুড়ে শোরগোল পড়ে যায় । সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হস্তক্ষেপ করেন । তিনি নির্দেশ দেন অবিলম্বে কল্যাণী পুরসভার ফর্ম বদলের । সোমবার আনন্দবাজার ডিজিটালে সেই খবর প্রকাশ পেতেই বিতর্ক শুরু হয়। প্রশ্ন ওঠে, নাগরিকত্বের প্রমাণ দেওয়ার ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে যখন লাগাতার তোপ দাগছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তখন সেই তাঁর রাজ্যেই সন্তানের জন্মের শংসাপত্র পেতে অভিভাবকের কাছে নাগরিকত্বের প্রমাণ চাওয়া হচ্ছে? এর পরেই নড়েচড়ে বসেন নদিয়ার ওই পুর কর্তৃপক্ষ। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, আবেদনপত্রের ৯ নম্বর কলম থেকে ‘নাগরিকত্বের প্রমাণ’ সরিয়ে দেওয়া হবে। ছাপানো হবে নতুন আবেদনপত্র।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ), জাতীয় নাগরিক পঞ্জি (এনআরসি) এবং জাতীয় জনস‌খ্যা পঞ্জি (এনআরপি) নিয়ে এমনিতেই কেন্দ্রীয় নীতির বিরুদ্ধে। এই বিষয়ে তিনি যখন লাগাতার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দেগে চলেছেন, তখন তাঁরই সরকার এ রাজ্যে ঘুরপথে নাগরিকত্বের প্রমাণ চাইছে বলে অভিযোগ ওঠে। সন্তানের জন্মের শংসাপত্র পেতে ‘নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র’ চাওয়ায় সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। নাগরিকত্বের প্রমাণপত্রের সঙ্গে এনআরসি বা এনপিআর-এর কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা নিয়ে শুরু হয় জল্পনা।

মমতার নির্দেশেই এনপিআর কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়েছে এ রাজ্যে। কিন্তু কল্যাণী পুরসভার নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র চাওয়ার মতোই, টিটাগড় এবং কামারহাটি পুরসভায় এনপিআর-এর কাজ শুরুর প্রক্রিয়া চালু হয়েছিল। কর্তব্যে ‘বিচ্যুতি’র কারণে উত্তর ২৪ পরগনার কামারহাটি এবং টিটাগড় পুরসভার সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা কড়া শাস্তির মুখেও পড়েন সে বার। এ বারও বিষয়টি পুর ও নগরন্নোয় দফতর গুরুত্ব দিয়ে দেখছে বলে নবান্ন সূত্রে খবর।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment