কলকাতা 

৫ বছর প্রাইমারি টেট হয়নি , ২০১৭-র আবেদনকারীরা জানতে পারছে না টেট পরীক্ষা কবে ? হাইকোর্টের দ্বারস্থ , শীঘ্রই কি টেট ? জানতে হলে ক্লিক করুন

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার সার্বিক অর্থে ভাল কাজ করছে । এ নিয়ে তাঁর সমালোচকরাও একান্তে স্বীকার করে থাকেন । কিন্ত তাঁর সরকার সবচেয়ে বেশি অস্বস্তিতে ফেলেছে শিক্ষা দফতর । এই দফতরের কাজে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের ভাবমূর্তি সবচেয়ে বেশি ধাক্কা খেয়েছে । তা না হলে ২০১৬ সালে এসএসসি হওয়ার পর এখনও তার নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে । ভাবা যায় ! একটি শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় চার বছর ধরে চলছে । মনে তা অনন্ত কাল ধরে চলবে । আর মামলার পর মামলা হচ্ছে । চাকরি পাওয়ার আশায় যুব-সম্প্রদায় হা হুতাশ করছে । এখানেই শেষ নয়,

২০১৭ সালে অক্টোবরে টেটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলেও এখনও শূন্যপদ জানানো দূর, কবে হবে পরীক্ষা, তা এখনও জানানো হয়নি উল্টে পরীক্ষার দিনক্ষণ জানানোর দাবিতে হাইকোর্টে দায়ের হয়েছে মামলা প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ থমকে থাকায় চূড়ান্ত ক্ষোভ জমেছে চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে এবার সেই সমস্ত জট কাটিয়ে ভোটের কথা মাথায় রেখে নিয়োগের পথে হাঁটতে চলেছে রাজ্য২০১৬ সালে টেটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হওয়ার পরও নেওয়া যায়নি পরীক্ষা। ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে ফের টেটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন জমা নেওয়ার কাজ শেষ হলেো শূন্যপদের সংখ্যা এখনও জানাতে পারেনি পর্ষদ। তবে সূত্রের খবর, রাজ্যে প্রাথমিক স্কুলে ৩০ হাজারেরও বেশি শূন্য শিক্ষকপদ রয়েছে

টেট পরীক্ষার দিনক্ষণ প্রকাশের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন শীর্ষেন্দু সেনগুপ্তসহ বেশ কয়েকজন পরীক্ষার্থী। মামলাকারীদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম আদালতকে জানিয়েছেন, ২০১৭ সালে টেটের নির্দেশিকা জারি করেছিল পর্ষদ। কয়েক লক্ষ শিক্ষক পদপ্রার্থীরা ১০০ টাকা জমা করে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য আবেদন করেন। কিন্তু, বছর মাস পরও সেই পরীক্ষা সম্পর্কে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নিঅবশ্য প্রশ্ন উঠেছে , দুই বছর চার মাস পরেও প্রাইমারি টেট নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি । প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ দাবি করছে , সরকার বললেই তারা টেট পরীক্ষা নেবে ।

ইতিমধ্যে কলকাতা হাইকোর্ট এনিয়ে সরকার কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া দিয়েছে । তারপরও এখন পর্যন্ত প্রাইমারি টেট নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে জানাননি । এদিকে সর্বভারতীয় এক সংবাদ-মাধ্যম জানিয়েছে , তারা জানতে স্কুল শিক্ষা দফতর থেকে জানতে পেরেছে যে , আসন্ন পুরভোটের পরেই প্রাথমিক টেট পরীক্ষা নিতে পারে রাজ্য ।

 

রাজ্যে শেষ বার প্রাথমিকের টেট নেওয়া হয়েছিল ২০১৫ সালে। সেই নিয়োগ নিয়ে কম অনিয়ম হয়নি। হয়েছে মামলা। এনসিটিই বা ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার্স এডুকেশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রতি বছর অন্তত একবার প্রতিটি রাজ্য সরকারের টেট পরীক্ষা নেওয়ার কথা। কিন্তু, ২০১৫ সালের পর থেকে পরীক্ষা নেওয়াই হচ্ছে না। রাজ্যে দুটি টেট পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষায় বসেন ৩৪ লক্ষ পরীক্ষার্থী। ৪৩ হাজার শূন্যপদে নিয়োগও হয়েছে। সেখানেও একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। মামলা হয় বেশ কয়েকটি। পর্ষদ সূত্রে খবর, এখনও ২৫ হাজার শূন্যপদ রয়েছে। ফলে প্রশিক্ষিত শিক্ষকের অভাব বাড়ছে। অথচ, টেট পরীক্ষায় সফল হওয়ার মতো যোগ্যতাসম্পন্ন অনেকেই রয়েছেন, যাঁদের ভবিষ্যত্ক্রমশ অন্ধকারের দিকে এগোচ্ছে

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment