কলকাতা 

জাতীয় পরিবেশ আদালতের রায় অনুযায়ী রাজ্যের সব পুরসভাগুলিকে দ্রুত উৎসেই বর্জ্য পৃথকীকরণের কাজ শেষ করার নির্দেশ ফিরহাদের

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : পুর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম পুর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম জাতীয় পরিবেশ আদালতের নির্দেশ মেনে রাজ্যের সব পুরসভাগুলিকে দ্রুত উৎসেই বর্জ্য পৃথকীকরণের কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন। নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে গতকাল বৃহস্পতিবার নির্মল বাংলা প্রকল্প ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি নিয়ে এক কর্মশালা ও পর্যালোচনা বৈঠকে রাজ্যের সব পুরসভার পুরপ্রধান, মেয়রদের এই নির্দেশ দেন তিনি। সাধারণ মানুষ যাতে বাড়ির উৎপাদিত বর্জ্য আলাদা আলাদা পাত্রে রাখেন সেই উদ্দেশ্যে মানুষকে আরো সচেতন করারও নির্দেশ দেন তিনি। পরে পুরমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, রাজ্যে ১০০ শতাংশ উৎসেই বর্জ্য পৃথকীকরণের কাজ শেষ করার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এই সময়সীমার কথা জাতীয় পরিবেশ আদালতকে জানানো হবে বলেও তিনি জানান। বর্জ্য ফেলার স্থান পাওয়া যাচ্ছে না তাই বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণের উদ্দেশ্যে ছোট কারখান তৈরির জন্য ছোট পুরসভার পুরপ্রধানদের উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে। এই কারখানাগুলিতে জৈব বর্জ্য থেকে সার, অজৈব বর্জ্য পুনরায় ব্যবহারযোগ্য দ্রব্য তৈরি হবে, নির্মাণ বর্জ্য থেকে বালি তৈরি করে তা রাস্তা সহ বিভিন্ন নির্মাণে কাজে লাগানো হবে। বড় পুরসভা ও করপোরেশনগুলিতে যাবতীয় বর্জ্য বায়ো মাইনিং পদ্ধতিতে বর্জ্য পৃথকীকরণ ও প্রক্রিয়াকরণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান। এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ তিনি চাইছেন বলে মেয়র জানান। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য প্রতিটি পুরসভাকে আলাদা করে বিশদ প্রকল্প রিপোর্ট তৈরি করে সরকারের কাছে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে ফিরহাদ হাকিম জানান।
এদিকে, এখন থেকেই ডেঙ্গু প্রবন এলাকাগুলিকে চিহ্নিত করে লাগাতার অভিযান ও সচেতনতা প্রচারের জন্য পুরপ্রধান, মেয়রদের নির্দেশ দেন পুরমন্ত্রী। অন্যদিকে, যেসব পুরসভা মুক্ত শৌচালয় সরাতে পারেনি, নির্মল বাংলা প্রকল্পকে সফল করতে তাদের দ্রুত সেই কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন পুর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী।দিয়েছেন। নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে আজ নির্মল বাংলা প্রকল্প ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি নিয়ে এক কর্মশালা ও পর্যালোচনা বৈঠকে রাজ্যের সব পুরসভার পুরপ্রধান, মেয়রদের এই নির্দেশ দেন তিনি। সাধারণ মানুষ যাতে বাড়ির উৎপাদিত বর্জ্য আলাদা আলাদা পাত্রে রাখেন সেই উদ্দেশ্যে মানুষকে আরো সচেতন করারও নির্দেশ দেন তিনি। পরে পুরমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, রাজ্যে ১০০ শতাংশ উৎসেই বর্জ্য পৃথকীকরণের কাজ শেষ করার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

এই সময়সীমার কথা জাতীয় পরিবেশ আদালতকে জানানো হবে বলেও তিনি জানান। বর্জ্য ফেলার স্থান পাওয়া যাচ্ছে না তাই বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণের উদ্দেশ্যে ছোট কারখান তৈরির জন্য ছোট পুরসভার পুরপ্রধানদের উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে। এই কারখানাগুলিতে জৈব বর্জ্য থেকে সার, অজৈব বর্জ্য পুনরায় ব্যবহারযোগ্য দ্রব্য তৈরি হবে, নির্মাণ বর্জ্য থেকে বালি তৈরি করে তা রাস্তা সহ বিভিন্ন নির্মাণে কাজে লাগানো হবে। বড় পুরসভা ও করপোরেশনগুলিতে যাবতীয় বর্জ্য বায়ো মাইনিং পদ্ধতিতে বর্জ্য পৃথকীকরণ ও প্রক্রিয়াকরণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান। এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ তিনি চাইছেন বলে মেয়র জানান। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য প্রতিটি পুরসভাকে আলাদা করে বিশদ প্রকল্প রিপোর্ট তৈরি করে সরকারের কাছে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে ফিরহাদ হাকিম জানান।
এদিকে, এখন থেকেই ডেঙ্গু প্রবন এলাকাগুলিকে চিহ্নিত করে লাগাতার অভিযান ও সচেতনতা প্রচারের জন্য পুরপ্রধান, মেয়রদের নির্দেশ দেন পুরমন্ত্রী। অন্যদিকে, যেসব পুরসভা মুক্ত শৌচালয় সরাতে পারেনি, নির্মল বাংলা প্রকল্পকে সফল করতে তাদের দ্রুত সেই কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন পুর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment