দেশ 

‘কেউ যদি মরতেই আসে, তাকে কীভাবে বাঁচানো যায়?’ সিএএ বিরোধী আন্দোলনে মৃতদের সম্পর্কে উক্তি যোগী আদিত্যনাথের

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে উত্তরপ্রদেশে ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে । এ নিয়ে বুধবার উত্তরপ্রদেশ বিধানসভায় মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ । তিনি রাজ্য বিধানসভায় এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বলেন ,উপদ্রবি, উপদ্রবি কে গোলি সে মরে হ্যাঁয় (“ঝামেলাবাজরা ঝামেলাবাজদেরই গুলিতে মরেছে,”

যোগী আদিত্যনাথ আরও বলেন, “পুলিশের প্রশংসা করা উচিত। কেউ যদি মরতেই আসে, তাকে কীভাবে বাঁচানো যায়? কেউ যদি কোনও নিরপরাধ ব্যক্তিকে মারতে যায়, এবং পুলিশ তাকে চ্যালেঞ্জ করে, তবে হয় সে মরবে, নাহয় পুলিশ মরবে। কেউ পুলিশের গুলিতে মরে নি। সিএএবিরোধী প্রতিবাদের পেছনে বড় চক্রান্ত ফাঁস হয়ে গিয়েছে।

উত্তরপ্রদেশের বিরোধীরা প্রত্যেকটি মৃত্যুর বিচারবিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছেন, এবং সমাজবাদী পার্টি দাবি করেছে যে পুলিশ বিজেপি সমর্থকদের গুলিতেই মৃত্যু হয়েছে আন্দোলনকারীদের। প্রতিবাদ চলাকালীন পুলিশ এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও সরব হয়েছেন বিরোধীরা

 জানুয়ারি মাসে দাঙ্গা এবং খুনের চেষ্টার দায়ে অভিযুক্ত দুই বিক্ষোভকারীকে জামিন দেওয়ার সময় পুলিশকে তুলোধোনা করে বিজনোরের এক দায়রা আদালত। আদালতের বক্তব্য ছিল, না অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গুলি চালানো অথবা আগুন লাগানোর চেষ্টার প্রমাণ দিয়েছে পুলিশ, না তাঁদের কাছ থেকে কোনো অস্ত্র বাজেয়াপ্ত হয়নি, না কোনও পুলিশকর্মীর গায়ে গুলি লেগেছে

সোমবার এলাহাবাদ হাইকোর্টে একটি রিপোর্ট জমা দিয়ে উত্তরপ্রদেশ সরকার জানিয়েছে, গত বছরের ২০ এবং ২১ ডিসেম্বর রাজ্যে সিএএবিরোধী প্রতিবাদ চলাকালীন হিংসার বলি হন ২২ জন। পাশাপাশি আহত হন ৮৩ জন সাধারণ মানুষ বিক্ষোভকারী, এবং ৪৫৫ জন পুলিশকর্মী। এর আগে পুলিশ জানিয়েছিল, হিংসায় নিহত হয়েছেন ২০ জন

রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে যে পুলিশের বিরুদ্ধে জমা পড়া অভিযোগের মধ্যে থেকে আটটি অভিযোগকে বেছে নিয়ে সংশ্লিষ্ট জেলার বিশেষ তদন্তকারী দলের তদন্তে সামিল করা হয়েছে

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment