কলকাতা 

১২ এপ্রিল কী কলকাতা পুরসভার ভোট ? ইভিএমে ভোট করাতে চায় রাজ্য নির্বাচন কমিশন !

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : আগামী ১২ এপ্রিল কলকাতা , হাওড়া , শিলিগুড়ি ও আসানসোল পুরনিগমের ভোট হতে পারে । রাজ্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এই মর্মে একটি প্রস্তাব নবান্নে পাঠানো হয়েছে । নবান্নের সবুজ সংকেত পেলেই ভোট ঘোষণা হতে পারে । অন্যদিকে কলকাতা বাদে বাকী ১১০টি পুরসভার ভোট ২৫/২৬ এপ্রিল করার জন্য রাজ্য সরকারের কাছে কমিশন প্রস্তাব পাঠিয়েছে বলে জানা গেছে ।

তবে বিশেষ সূত্রে জানা গেছে , রাজ্য সরকার বিশেষ করে মুখ্যমন্ত্রী চাইছেন বাংলা নববর্ষের পর ভোট করতে । সেক্ষেত্রে কলকাতাসহ বাকী পুরনিগমগুলির ভোট হতে পারে ১৪ এপ্রিলের পর । আবার যেহেতু রমযান মাস ২৪ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে যাবে সেদিকে লক্ষ্য রেখে রাজ্য সরকার ২৪ এপ্রিলের আগেই বাকী পুরসভাগুলির ভোট করাতে পারে । তা না হলে মে মাসের শেষ নাগাদ ভোট হওয়ার পক্ষে মত প্রকাশ করতে পারে নবান্ন । কারণ রমযান মাসে ভোট করালে মুসলিম সম্প্রদায়ের অসুবিধা হবে সেদিকে লক্ষ্য রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে ।

ইতিমধ্যেই ৯৩টি পুরসভার আসন সংরক্ষণ সংক্রান্ত চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। আরও ১৭টি পুরসভাতেও নির্বাচন হওয়ার কথা। রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, তারা পুরনির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। ইভিএমে ভোট করাতে কমিশন তৈরি রয়েছে বলে সূত্রের খবর। ইভিএমের সঙ্গে সে ক্ষেত্রে ভিভিপ্যাটও ব্যবহার করা হতে পারে। যদি তাই হয়, তবে এ বারই প্রথম পুর নির্বাচনে ভিভিপ্যাট-সহ ভোট হবে। শোনা যাচ্ছে, রাজ্যও ইভিএমের বিপক্ষে নয়। যদিও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যালটে ভোট করার পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত কী হবে, তা নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি বলেই কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে।

এদিকে মুখ্যমন্ত্রী যাই বলুক না কেন ? রাজ্য নির্বাচন কমিশন ইভিএমেই ভোট করতে চায় । কারণ গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে যে অশান্তি ও ভোট লুঠের অভিযোগ উঠেছে তা বন্ধ করতেই কমিশন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে । সূত্রের খবর ইভিএমের সঙ্গে ভিভিপ্যাট রাখতে পারে কমিশন । যাতে ভোটার তার ভোট সম্পর্কে নিশ্চিত হয় । আর এটা হলে এই প্রথম স্থানীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার ভোট হবে । যদিও কমিশনের এক কর্তা বলেন, ‘‘পুর নির্বাচন নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।’’

 

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment