দেশ 

জামিয়ার লাইব্রেরিতে দিল্লি পুলিশের হামলার ভিডিও ভাইরাল হতেই সমালোচনায় মুখর প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার লাইব্রেরিতে পুলিশ ঢুকে হামলা করেছিল ১৫ ডিসেম্বর । এনিয়ে দেশজুড়ে শোরগোল ওঠে । বিদেশী সংবাদ মাধ্যমেও ফলাও করে খবর প্রচারিত হয় । বিদেশেও এনিয়ে বিক্ষোভ আন্দোলন হয় । জামিয়ায় পুলিশি হামলার পরেই সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসি নিয়ে আন্দোলন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে একইসঙ্গে বিদেশের এই আন্দোলন আরও সংঘবদ্ধ হয় । কিন্ত জামিয়ার লাইব্রেরি হামলার ছবি বিভিন্ন সংবাদ-মাধ্যমে প্রকাশ হলেও দিল্লি পুলিশ প্রথম থেকেই তা অস্বীকার করে । আজ রবিবার জামিয়া কো-অর্ডিনেশন কমিটির পক্ষ থেকে ৪৯ মিনিটের একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয় যাতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, জামিয়ার লাইব্রেরিতে পাঠরত পড়ুয়াদের উপর পুলিশ হঠাৎ লাঠি চালাতে শুরু করে ।

এই ভিডিও সামনে আসার পর দেশজুড়ে আবার নতুন করে সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সরব হয়েছেন বিশিষ্টজনরা ।ভিডিয়োটি সামনে আসার পর দিল্লি পুলিশের নিন্দায় সরব হয়েছেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়ঙ্কা গাঁধী। টুইটারে প্রিয়ঙ্কা লেখেন, ‘‘দেখুন দিল্লি পুলিশ কীভাবে পড়ুয়াদের মারধর করছে। একজন হাতে বই তুলে দেখাচ্ছে, তার পরেও তার উপর এলোপাথাড়ি লাঠি চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। অর্থাৎ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং দিল্লি পুলিশের আধিকারিকরা মিথ্যা বলেছিলেন যে, লাইব্রেরিতে ঢুকে কাউকে মারধর করেননি ওঁরা। এই ভিডিয়ো সামনে আসার পরও জামিয়ার ঘটনায় কারোর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না করা হলেই, এই সরকারের অভিসন্ধি সকলের কাছে পরিষ্কার হয়ে যাবে।’’

সিএএ ও এনআরসি বিরুদ্ধে আন্দোলন চলাকালীন গত ১৫ ডিসেম্বর তুমুল বিক্ষোভে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে দক্ষিণ দিল্লির জামিয়া এবং ওখলা এলাকা। শতাধিক মোটর বাইক, অন্তত তিনটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা। পুলিশ গেলে তাদের সঙ্গেও ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। সেই বিক্ষোভের আঁচ কমতেই জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে পডু়য়াদের বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। ছাত্রছাত্রীদের অভিযোগ করেন, শুধু লাঠিপেটা করাই নয়, গুলিও চালিয়েছিল পুলিশ। লাইব্রেরিতে ঢুকে মারধর ও ভাঙচুরের অভিযোগ শুরু থেকেই অস্বীকার করে এসেছিল দিল্লি পুলিশ। গুলি চালানোর কথাও শুরুতে মানতে চায়নি তারা। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিয়োয় এক পুলিশ অফিসারকে গুলি চালাতে দেখা গেলে, শেষমেশ অভিযোগ মেনে নেয় দিল্লি পুলিশ। বলা হয়, যে ভাবে ঘিরে ধরে পাথর ছোড়া হচ্ছিল তাঁদের দিকে, তাতে গুলি না-ছুড়ে উপায় ছিল না। তবে বিক্ষোভকারীদের ভয় দেখাতে শূন্যে গুলি ছোড়া হয়েছিল বলে দাবি করেছে পুলিশ।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment