দেশ 

প্রশান্ত কিশোরকে দল থেকে ছেঁটেই ফেললেন নীতিশ কুমার

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন এবং এনআরসি-এনপিআর নিয়ে দলের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সংঘাত বেধে ছিল । সেই সংঘাত আরও তীব্র হল যখন দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির সঙ্গে জেডিইউ আতাঁত করল । প্রশ্ন তুলেছিলেন প্রশান্ত কিশোর জানতে চেয়েছিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারের কাছে । মুলত প্রশ্ন তোলার দায়েই শেষ পর্যন্ত দল থেকে বহিস্কার করা হল প্রশান্ত কিশোরকে । মঙ্গলবারই দলীয় বৈঠকে প্রশান্ত কিশোর সম্পর্কে নীতীশ বলেছিলেন, ‘‘উনি দলে না থাকলেও কোনও সমস্যা নেই।’’ তার ঠিক কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দল থেকে ছেঁটে ফেলা হল প্রশান্ত কিশোরকে। ২০১৮ থেকে জেডি (ইউ)-এর  সহ-সভাপতি পদে ছিলেন তিনি।

বহিষ্কারের খবর সংবাদ মাধ্যমের প্রচারিত হওয়ার পর  টুইট করে নীতীশ কুমারকে ধন্যবাদ জানান প্রশান্ত। তিনি লেখেন, “ধন্যবাদ নীতীশ কুমার। বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর পদ ধরে রাখার জন্য আপনাকে শুভেচ্ছা জানাই। আপানার মঙ্গল কামনা করি।” বুধবার সকালেই প্রশান্ত কিশোরকে আক্রমণ করে জেডি (ইউ) নেতা অজয় অলোক বলেন, ‘‘ওঁকে বিশ্বাস করা যায় না।’’ এতেই থামেননি অজয়। তিনি আরও বলেন, “মোদীজির বিশ্বাস অর্জন করতে পারেননি প্রশান্ত। এমনকি নীতীশজিরও নয়। এক দিকে, কাজ করছেন আপ-এর জন্য, অন্য দিকে, কথা চালাচ্ছেন রাহুল গাঁধীর সঙ্গে। আবার বৈঠক করছেন মমতা দিদির সঙ্গে। ওঁকে কে বিশ্বাস করবে?”

মঙ্গলবার দলীয় নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠকের পরে প্রশান্তকে কার্যত দরজা দেখিয়ে নীতীশ বলেছিলেন, ‘‘উনি থাকলে থাকুন, না-থাকলেও ঠিক আছে। ইতিমধ্যেই উনি নানা দলের ভোটকুশলী হিসেবে কাজ করছেন। কিন্তু স্পষ্ট বলে দিই, দলে থাকতে হলে গঠনতন্ত্র মেনে চলতে হবে।’’

এর পরেই অমিত শাহের অনুরোধে প্রশান্তকে দলে নেওয়ার কথা বলেন নীতীশ। যার উত্তরে প্রশান্ত টুইট করেন, ‘‘আমাকে আপনি কেন এবং কী ভাবে জেডিইউ-তে এনেছিলেন, তা নিয়ে মিথ্যা বলতে গিয়ে কতটা নীচে নামলেন। আমাকে আপনার মতো করে দেখানোর এ এক দুর্বল চেষ্টা!’’ প্রশান্ত জানান, বিহারে এসেও নীতীশের কথার জবাব দেবেন তিনি। কিন্তু তাঁর আগেই দল থেকে বহিষ্কার করে প্রশান্তকে পাল্টা জবাব দিলেন নীতীশ, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment