আন্তর্জাতিক 

ভারতের জিডিপির হার আরও কমে ৪.৮ শতাংশ হবে পূর্বাভাষ আইএমএফের

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : চলতি অর্থবর্ষের শেষ তিন মাসে আরও কমবে ভারতের আর্থিকবৃদ্ধি। সোমবার এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার বা আইএমএফ । নতুন অর্থবছর শুরুর আগে ৪.৮% এসে দাঁড়াবে বৃদ্ধি, জানিয়েছে ওই আন্তর্জাতিক সংস্থা। মূলত, নন-ব্যাঙ্কিং অর্থক্ষেত্রের স্বল্প ব্যবহার আর গ্রামীণ আয়ের হার (৪.৮%) কমে যাওয়া– এই দুটি বিষয়কে বৃদ্ধি কমার পিছনে দায়ী করেছে আইএমএফ। ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরামের বার্ষিক অনুষ্ঠান শুরু হবে দাভোসে। তার দিন দুয়েক আগে এমন পূর্বাভাস দিল ওই সংস্থা। ভারতের পাশাপাশি অন্য উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের আর্থিকবৃদ্ধির পূর্বাভাসও এদিন মিলেছে। তবে আগামী দুই অর্থবর্ষের জন্য এদেশের আর্থিকবৃদ্ধির হার বাড়ার সম্ভাবনায় জোর দিয়েছে আইএমএফ। ২০২০-২১ আর ২০২১-২২ অর্থবর্ষের নিরিখে এই বৃদ্ধি ৫.৮% আর ৬.৫%-এ গিয়ে দাঁড়াতে পারে। এদিন জানিয়েছে ওই আন্তর্জাতিক সংস্থা।

আইএমএফ-র মুখ্য অর্থনীতিবিদ, ভারতীয় বংশোদ্ভূত গীতা গোপীনাথ বলেছেন, ক্রমশ ভারতের আর্থিকবৃদ্ধি নিম্নমুখী। নন-ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রের ওপর প্রভাব আর গ্রামীণ আয় হ্রাস এর পিছনে বড় কারণ। তিনি দাবি করেছেন, চিনের বৃদ্ধি ০.২% বেড়েছে। আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি মজবুত করায় সেই দেশ এই বৃদ্ধি দেখছে। ভারতের নিরিখে আইএমএফ-এর যুক্তি, “অভ্যন্তরীণ চাহিদা কমেছে। তার সঙ্গেই প্রভাবিত নন-ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্র। সব মিলিয়ে ক্রমশ কমছে বৃদ্ধির হার।” যদিও আগামী দু’বছরে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির যে  পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, তাও ১.২% (৫.৮) এবং ০.৯% (৬.৫) কম এই দাবিও করেছে আইএমএফ। অক্টোবরে অনুষ্ঠিত শেষ ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরামের তুল্যমুল্য বিচারে এই দাবি করা হয়েছে। জানা গেছে, সরকারি তরফে নগদের জোগান আর অপরিশোধিত তেলের মুল্যহ্রাস, ভারতকে সাহায্য করবে ঘোষিত বৃদ্ধিতে পৌঁছতে।

গীতা গোপীনাথ জানান, “আর্থিক ভাবে পিছিয়ে থাকা রাষ্ট্রগুলোতে আর্থিকবৃদ্ধির হার গতি পেয়েছে। আর্জেন্টিনা, ইরান আর তুরস্ক এই তালিকায় আছে। পাশাপাশি উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে ব্রাজিল, ইন্ডিয়া আর মেক্সিকো, দৌড়ে অনেক পিছিয়ে গিয়েছে।” সৌজন্যে এনডিটিভি বাংলা ।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment