কলকাতা বিনোদন, সংস্কৃতি ও সাহিত্য 

শ্রদ্ধায় স্মরণে শতবর্ষে খালেদ চৌধুরী এবং হেমন্ত মুখোপাধ্যায়

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বিশেষ প্রতিনিধি : কিংবদন্তী শিল্পী খালেদ চৌধুরী এবং হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের শতবর্ষ স্মরণে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদয়শংকর কক্ষ, সংগীত ভবন, মরতকুঞ্জ প্রাঙ্গণে, এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আয়োজনে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য নৃত্য নাটক সংগীত ও দৃশ্যকলা আকাডেমি।
অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বের নাম রাখা হয়, ‘বহু শিল্পের সৃষ্টিকর্মে নিরত এক শিল্পীঃ খালেদ চৌধুরী। স্মৃতিতে, কথায়, স্মরণে খালেদ চৌধুরীর সঙ্গে এই প্রজন্মের সেতুবন্ধন রচনা করেন ড, দেবাশিস রায়চৌধুরী, অধ্যাপক শেখর সমাদ্দার এবং অভিনেতা-পরিচালক ঋষি মুখোপাধ্যায়। তিনজনেই শিল্পীর সৃষ্টিশীলতাকে কাছ থেকে দেখেছেন। ব্যক্তি মানুষটিকে উপলদ্ধি করেছেন নিজেদের মত করে।


১৯১৯ সালে অসমে, জন্মগ্রহণ করেন খালেদ চৌধুরী। নদী, জঙ্গল, মুক্ত আকাশ, উদার গ্রাম্য পরিবেশে তাঁর বেড়ে ওঠা। ছোট থেকেই আঁকার প্রতি ছিল আগ্রহ। প্রাকৃতিক রং তৈরি করে ছবি আঁকতেন। পাশাপাশি চমৎকার গান গাইতেন আর বাঁশি বাজাতেন। পরবর্তীতে কলকাতায় এসে নির্মলেন্দু চৌধুরীর সঙ্গে গণনাট্যের গান করতেন। রোজগারের জন্য ইলাসট্রেটারের কাজ করতেন। ৫০,০০০ বইয়ের প্রচ্ছদ এঁকেছেন। তাঁর অসাধারণ আঁকা, প্রচ্ছদ শিল্পে বিপ্লব নিয়ে এসেছিল। শম্ভু মিত্রের সংস্পর্শে এসে থিয়েটারে যোগদান। দীর্ঘ ৬০ বছর বহুরূপী ছাড়া অন্যান্য নাটকের দলের হয়ে মঞ্চ সাজিয়েছেন, পোশাক পরিকল্পনা করেছেন এবং সুরও দিয়েছেন। তাঁর করা বহুরূপীর ‘রক্তকরবী’র মঞ্চসজ্জা আজ ক্লাসিক রূপে পরিগণিত ।
এই পর্বের সমাপ্তি ঘটে খালেদ চৌধুরীর ওপর তৈরি তথ্যচিত্রের প্রদর্শনের মধ্যে দিয়ে। আড়াই ঘণ্টার তথ্যচিত্রটি পরিচালনা করেছেন ঋষি মুখোপাধ্যায়। তথ্যচিত্রটির অংশ বিশেষ দেখানো হয়।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয়ার্ধের নাম রাখা হয় ‘সময় হয়েছে নতুন খবর আনার’। হেমন্ত মুখোপাধ্যায় শুধুমাত্র একটা নাম নয়, একটি প্রতিষ্ঠান। তাঁর সুরে উত্তাল হয়েছে সমগ্র দেশ। সুরকার হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের বিভিন্ন কালজয়ী গান তৈরির ইতিহাসকে, অনেক অজানা তথ্যকে, স্মৃতিতে, কথায়, গানে, তুলে ধরেন গায়ক-সুরকার কল্যাণ সেনবরাট। স্বর্ণযুগের অন্যতম স্তম্ভ, এবং তাঁর গান নিয়ে চমৎকার এবং উল্লেখযোগ্য বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক গৌতম নাগ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আজও হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের গান কতটা প্রাসঙ্গিক, সে বিষয়ে আলোকপাত করেন অধ্যাপক হিমবন্ত বন্দ্যোপাধ্যায়।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment