কলকাতা 

কেরল-পঞ্জাবের পর এবার পশ্চিমবাংলা বিধানসভায় সিএএ বিরোধী প্রস্তাব পাশ হবে ৩/৪ দিনের মধ্যেই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : কেরল-পঞ্জাবের পর এবার মমতার বাংলাতেও বিধানসভায় সিএএ বিরোধী প্রস্তাব পাশ করা হবে বলে জানা গেছে । আমেরিকার অনুকরণে রাজ্যগুলির হাতে বেশি ক্ষমতা দেওয়ার দাবিতে এবার ভারতের অঙ্গরাজ্যগুলিও সরব হতে চলেছে । দেশের সংবিধান অনুসারে কেন্দ্রের পাশ করা কোনো আইন চালু করব না , এটা বলতে পারে না কোনো রাজ্য সরকার । তবে আইনের বিরুদ্ধে মত দিতে পারে প্রস্তাব পাশ করতে পারে রাজ্য সরকারগুলি । অন্যদিকে আমেরিকাতে ঠিক এর উল্টো ব্যবস্থা রয়েছে যেমন সেখানে সংসদ কোনো আইন পাশ করলে তা রাজ্য সরকারগুলি নাও মানতে পারে । এটাই হল যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো বলিষ্ঠ প্রয়োগ । আর আমেরিকার অনুকরণেও এখানে ওই নিয়ম চালু করার দাবি করছে বহুদিন থেকে রাজ্য সরকারগুলি । সারকারিয়া কমিশনের সুপারিশেও রাজ্য সরকারগুলিকে অধিক ক্ষমতা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে ।

এই প্রেক্ষাপটেই সিএএ ইস্যুতে তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভায় এবার কেরালা, পাঞ্জাবের পথে হেঁটেই সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বিরোধী প্রস্তাব আনতে চলেছে শাসকদল তৃণমূল। সোমবার  রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়  উত্তরবঙ্গ যাওয়ার পথে কলকাতা বিমানবন্দরে বলেন, তিন-চার দিনের মধ্যেই তাঁর সরকার সিএএ বিরোধিতায় প্রস্তাব পেশ করবে।

এ প্রসঙ্গে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘তিন-চার মাস আগে আমরা বিধানসভায় এনআরসি ও ক্যাব বিরোধী প্রস্তাব পেশ করেছি। আগামী ৩-৪ দিনে সিএএ বিরোধী প্রস্তাব পাস করা হবে। আমরা সিএএ প্রত্যাহারের দাবিতে প্রস্তাব পেশ করব। আমি অন্যান্য রাজ্যকেও একইভাবে প্রস্তাব পেশ করার জন্য আর্জি জানাচ্ছি’’।

উল্লেখ্য, সিএএ বিরোধিতায় প্রথম থেকেই সরব তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সিএএ পাসের পর রাজপথে নেমে প্রতিবাদেও শামিল হয়েছেন তিনি। একই ইস্যুতে পথে নেমেছে বাংলার বাম-কংগ্রেসও। বিধানসভায় সিএএ বিরোধী প্রস্তাব পেশ করার দাবি জানায় বাম-কংগ্রেস। কিন্তু রাজ্যের দুই বিরোধী দলের এই প্রস্তাব নাকচ হয়ে যায়। সে সময় শাসকদলের পক্ষে থেকে জানানো হয় যে, আগেই এ বিষয়ে প্রস্তাব পেশ হয়েছে বিধানসভায়। তাই নতুন করে এই প্রস্তাবের প্রয়োজনীয়তা নেই। মমতা সরকারের এই সিদ্ধান্তে ক্ষোভে ফেটে পড়ে বাম-কংগ্রেস। এরপরই সিএএ বিরোধিতার । তারপরেই রাজ্য জুড়ে বিরোধী বাম-কংগ্রেস প্রচার শুরু করে মমতার সঙ্গে মোদীর গোপন আতাঁত আছে । তাতেই অনেকটাই ব্যাকফুটে চলে যায় মমতা ।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment